বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইতিমধ্যে করপোরেট কর সাড়ে ৩৭ শতাংশ থেকে সাড়ে ৩২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। যদিও করপোরেট কর কমানো কোভিডসংকটের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তবে আগামী অর্থবছরে করপোরেট কমানো হলে কোভিডকালে ব্যবসায়ীদের জন্য আরও ভালো হবে।

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের ক্ষেত্রে কর ছাড় দেওয়ার সুযোগ কম। করোনার সময়ে অনেকের আয় কমেছে। করযোগ্য আয় না হলে এমনিতেই তাঁরা কর দেবেন না। শূন্য রিটার্ন জমা দেবেন। এটিই করের নিয়ম। তাই ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের কর ছাড় দেওয়ার কিছু নেই।

শুধু করোনা নয়, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে এমনিতেই করপোরেট কর হ্রাস এবং ভ্যাট আদায় সহজ করতে কাঠামোগত পরিবর্তন আনা দরকার। করোনার কারণে তা জরুরি হয়ে পড়েছে। করপোরেট কর কমানো হলে উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন। ভ্যাট দেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। ভ্যাটদাতাদের হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

করোনার মধ্যে অবশ্য সাধারণ করদাতারা নানা ধরনের অসুবিধায় পড়েছেন। করোনাকালে জনগণের জন্য করছাড় ও আর্থিক সহায়তা—এই দুটি প্রণোদনা দেওয়া যেতে পারে। যেমন কোভিডকালে কর্মী ছাঁটাই না করলে করপোরেট করে ৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া যেতে পারে।

আমদানি কর কমিয়ে আমদানিতে উৎসাহিত করা যেতে পারে, যা উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করবে। তবে কর ছাড় দেওয়ার সুযোগ কম। এ ক্ষেত্রে সমস্যা হলো বাংলাদেশে একবার কর ছাড় দেওয়া হলে তা ফিরিয়ে নেওয়া কঠিন।

আমদানি কর কমিয়ে আমদানিতে উৎসাহিত করা যেতে পারে, যা উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করবে। তবে কর ছাড় দেওয়ার সুযোগ কম। এ ক্ষেত্রে সমস্যা হলো বাংলাদেশে একবার কর ছাড় দেওয়া হলে তা ফিরিয়ে নেওয়া কঠিন। করছাড় অব্যাহত রাখার নানা ধরনের চাপ থাকে।

আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে ব্যবসা-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে সরকার নানা ধরনের প্রণোদনা দিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সবাইকে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ ছাড়া জনগণ যাতে খরচে উদ্বুদ্ধ হয়, সে জন্য তাদের কাছে নগদ অর্থের প্রবাহ বাড়াতে হবে। এক কোটি পরিবারকে প্রতি মাসে দুই হাজার টাকা দিলে বছরে ২৪ হাজার কোটি টাকা লাগবে। এ ধরনের কর্মসূচি নেওয়া যেতে পারে।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন