বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্লটের ব্যবসায় স্বচ্ছতা আনার উপায় কী?

সাদী–উজ–জামান: প্লট প্রকল্পের কোম্পানিগুলোর অধিকাংশই জানায়, তারা অননুমোদিত। কেন তারা অনুমোদন নিতে পারছে না? আসলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র নিতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে দীর্ঘ সময় লাগে। নিয়মবহির্ভূত লেনদেনের ঘটনা তো আছেই। সব সেবা যদি একছাতার নিচে পাওয়া যেত, তাহলে কোম্পানিগুলো সহজে অনুমোদন নিতে পারত। তখন তাদের মধ্যে স্বচ্ছভাবে ব্যবসা করার তাড়না তৈরি হতো। গ্রাহকেরাও সেটির উপকার পেতেন। তা ছাড়া ভালো কোম্পানির জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে হবে। প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও গ্রাহকদের প্লট বুঝিয়ে দেওয়ার হারের ওপর ভিত্তি করে কোম্পানিগুলোকে রেটিং সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসতে পারে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সেটি হলে গ্রাহকেরা বুঝতে পারবেন, নিজের কষ্টের টাকা বিনিয়োগে তাঁরা কোন কোম্পানির কাছে যাবেন।

সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কী করছেন?

সাদী–উজ–জামান: ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পাশে আমাদের হাউজিং প্রকল্প রয়েছে। ৭০ শতাংশ দাম পরিশোধ করার পর আমরা প্লটের নিবন্ধন করে দিচ্ছি। বাকি অর্থ ১২-২৪ মাসের কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই কেরানীগঞ্জের তেঘুরিয়ায় কনডোমিনিয়াম প্রকল্প করব। সেখানেও একই ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে। এই পরিকল্পনার কারণ হচ্ছে, আর্থিক সামর্থ্যের সঙ্গে না মিললেই গ্রাহকেরা কম দামের প্লট বা ফ্ল্যাটের দিকে ঝোঁকেন। তখনই প্রতারণার ঘটনা ঘটে।

ফ্ল্যাটের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে এখন কী করা উচিত?

সাদী–উজ–জামান: ভালো মানের ফ্ল্যাটের প্রতি বর্গফুটের নির্মাণ ব্যয় গড়ে ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে। শুধু জমির উচ্চমূল্যের কারণে সেই ফ্ল্যাটের দাম ৬ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা বা আরও বেশি হয়। সরকার যদি স্বল্প দামে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে আবাসন প্রকল্পের জন্য জমি বরাদ্দ করে, তবেই কম দামে ফ্ল্যাট দেওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে প্রকল্প নেওয়া যেতে পারে। স্বল্প সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ব্যবস্থা করা গেলেও অনেক গ্রাহক ফ্ল্যাট কেনার সাহস করতে পারতেন।

বিশ্লেষণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন