বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির পদত্যাগের ঘটনা নতুন নয়। গত দেড় দশকে ব্যাংকটির বেশির ভাগ এমডিই পর্ষদের চাপে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। যে কারণে ২০১৪ সালে ব্যাংকটিতে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এবার এমডির পদত্যাগের কারণ ভিন্ন।

একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে ন্যাশনাল ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড নিয়ে বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়ে। এতে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে নিয়মের বাইরে বড় অঙ্কের ডলার খরচের প্রমাণ মেলে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকটিকে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

পাশাপাশি মৌখিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, এমডি শাহ সৈয়দ আবদুল বারীকে সরিয়ে দিতে হবে। সেই সঙ্গে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল হামিদ মিয়াকে ব্যাংকের পরামর্শক করতে হবে।

এ রকম অবস্থায় বুধবার ন্যাশনাল ব্যাংকের একজন পরিচালক বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এরপরই এমডিকে চাপ দেওয়া হলে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে জানা যায়।

তবে গতকাল এ বিষয়ে জানতে চাইলেও সরাসরি কিছু বলেননি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক ও সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ব্যাংকটির ক্রেডিট কার্ড নিয়ে পরিদর্শন হয়েছে, শুধু এটুকু জানতে পেরেছি।’

অন্যদিকে যোগাযোগ করেও শাহ সৈয়দ আবদুল বারী বা ন্যাশনাল ব্যাংকের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ব্যাংকটির ওয়েবসাইটে এমডি হিসেবে (চলতি দায়িত্বে) সৈয়দ রইস উদ্দিনের নাম দেখা গেছে।

এদিকে আবদুল হামিদ মিয়া গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদের সভায় আমাকে নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে শুনেছি। পরবর্তী সভায় এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হলে ও বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদন দিলে আমি যোগদান করতে পারব।’

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন