বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টাকা ফেরত না পেয়ে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আবেদন করি। কিন্তু সমাধান হয়নি। জমা টাকা ফেরত না পেয়ে অনেকে চিকিৎসা করাতে পারছেন না, কেউ কেউ খাদ্যকষ্টেও আছেন। শেষ পর্যন্ত আমরা আদালতে যাই। সেখান থেকে পিপলস লিজিং পুনর্গঠনের রায় আসে।

আমাকে আমানতকারী প্রতিনিধি হিসেবে পিপলস লিজিংয়ের পরিচালক করা হয়েছে। এখন আমাকে আমানতকারীদের স্বার্থও দেখতে হবে, আবার পিপলসকেও ভালো করার চেষ্টা করতে হবে। সরকার থেকে তহবিল নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ঠিক করার চেষ্টা করতে হবে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করেও ঠিক করা যায়। আবার কেউ যদি মালিকানা কিনে নেয়, তা-ও হতে পারে। যেসব আমানতকারীর বয়স ৮০-৯০ বছরের বেশি, তাঁদের টাকা আগে ফেরত দিতে চাইছি আমরা।

এখনো নতুন পর্ষদের সভা হয়নি। আদালত থেকেই ৯ জনকে পরিচালক বানিয়ে চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। সভা হলে নিশ্চয়ই অনেক বিষয় জানা যাবে। তবে আমরা সবাই মিলে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ঠিক করার চেষ্টা করব। এর ফলে পিপলস লিজিং আবার ঘুরে দাঁড়াবে এই আশা করি।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন