বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
করোনায় সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে যাঁরা ঋণ শোধ করতে পারছেন না, তাঁদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর আগে ব্যাংকের গ্রাহকেরাও এই সুযোগ পেয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম

এর আগে করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্ষতির কথা বিবেচনা করে প্রথম দফায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই ছাড় দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তা বাড়িয়ে সেপ্টেম্বর করা হয়। এরপর আরও বাড়িয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, করোনায় সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে যাঁরা ঋণ শোধ করতে পারছেন না, তাঁদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর আগে ব্যাংকের গ্রাহকেরাও এই সুযোগ পেয়েছেন।

বর্তমানে দেশে ৩৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গত জুন শেষে এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৯০৫ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ১৩ দশমিক ২৯ শতাংশ।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন