default-image

ন্যাশনাল ব্যাংক নিয়ে সমস্যা অনেক দিন ধরে চলছে। আমার সময়ে ব্যাংকটি একটু ভালো করার চেষ্টা করেছিল। তখন পারভীন সিকদার চেয়ারম্যান ছিলেন। ওনার মধ্যে ভালো করার ইচ্ছা ছিল বলে মনে হয়েছিল। এরপর আবার জয়নুল হক সিকদার চেয়ারম্যান হন, তখন থেকে তাঁর ছেলেরা ব্যাংকটি চালাত। এখন ওনার স্ত্রী চেয়ারম্যান। উনি তো একটা সাক্ষীগোপাল।

ব্যাংকটির যে অবস্থা, অনেক আগেই প্রশাসক দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। এখন ব্যাংকটির পর্ষদকে ডেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বসতে পারে। যদি তারা ভালো কোনো প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পনা দিতে পারে, তাহলে কিছুদিন সময় দেওয়া যেতে পারে। সিকদার পরিবারের হস্তক্ষেপের কারণে ব্যাংকটিতে ভালো কর্মকর্তারা চাকরি করতেও ভয় পায়।

এ মুহূর্তে বাংলাদেশ ব্যাংক পারে তার আইনের যথাযথ প্রয়োগ করে ব্যাংকটিকে ঠিক করতে, যা পুরো ব্যাংক খাতের জন্য নতুন বার্তা হতে পারে। এভাবে যে কোনো ব্যাংক চলতে পারে না, তা দেখিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে। ন্যাশনাল ব্যাংক প্রথম প্রজন্মের, তাই গ্রাহকও অনেক। আমানতকারীদের স্বার্থে ব্যাংকটি নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।

বিজ্ঞাপন
ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন