দেশে ক্রেডিট কার্ড সেবায় সবার শীর্ষে রয়েছে বেসরকারি খাতের দি সিটি ব্যাংক। এই ব্যাংক আমেরিকান এক্সপ্রেস (অ্যামেক্স) কার্ডের সেবা দিচ্ছে। অন্য ব্যাংকগুলোর একেকটি একেক বিদেশি ব্র্যান্ডের ক্রেডিট কার্ড সেবা দিচ্ছে। এসব সেবার মাশুল প্রায় কাছাকাছি। প্রতিটি ব্যাংকের ওয়েবসাইটে কার্ডের মাশুলের বিস্তারিত দেওয়া থাকে। তাই কার্ড নেওয়ার আগে তা দেখে নিলে আপনার জন্য ভালোই হবে।

উদাহরণ হিসেবে আমরা অ্যামেক্স কার্ডের মাশুলের হিসাব জানাব। অ্যামেক্সের ১০ ধরনের কার্ড রয়েছে। এর মধ্যে এখানে এক মুদ্রার অ্যামেক্স ক্রেডিট কার্ড ও দ্বৈত মুদ্রার ক্রেডিট কার্ডের হিসাব তুলে ধরা হচ্ছে। এক মুদ্রার অ্যামেক্স কার্ডে বার্ষিক মাশুল দেড় হাজার টাকা, অতিরিক্ত কার্ড নিলে ৭৫০ টাকা। কার্ড হারিয়ে গেলে দিতে হবে ৩০০ টাকা। দ্বৈত মুদ্রার কার্ডে মাশুল বছরে দুই হাজার টাকা, অতিরিক্ত কার্ড নিলে আরও এক হাজার টাকা। কার্ড হারিয়ে গেলে দিতে হবে ৫০০ টাকা।

ক্রেডিট কার্ডে খরচের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে গুনতে হবে ৬০০ টাকা। আর ক্রেডিট কার্ডে টাকা তুললে দিতে হবে ১৫০ টাকা। কার্ডে খরচ করার পর ও টাকা উত্তোলনের পর নির্ধারিত সময়ে শোধ না দিলে বছরে ১ দশমিক ৬৭ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। দুই কার্ডে খরচের সীমার অর্ধেক টাকা নগদে তোলা যায়। কার্ড নিতে সিআইবি মাশুল বাবদ দিতে হয় ১৫০ টাকা, এসএমএস মাশুল বাবদ দিতে হয় ২০০ টাকা। কার্ডের পিন নতুন করে নিতে চাইলে দিতে হবে ৫০০ টাকা।

আরেকটি তথ্য জেনে রাখুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে ব্যাংকগুলো এখন নতুন কার্ড ব্যবহারের আগে কোনো মাশুল নিচ্ছে না; অর্থাৎ কার্ড ব্যবহার শুরু করার পরই কেবল মাশুল আরোপ হবে।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন