প্রথম আলো: লাইফস্টাইল পণ্য হিসেবে ক্রেডিট কার্ড কি যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছে?

সেলিম আর এফ হোসেন: করোনার আগের কয়েক বছরজুড়েই ক্রেডিট কার্ডের জনপ্রিয়তা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছিল। আর মহামারিকালে গ্রাহকের দৈনন্দিন জীবনযাপনের এক অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে আবির্ভূত হয় ক্রেডিট কার্ড। নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন কেনাকাটার জন্য অনেক গ্রাহকের প্রথম পছন্দ ক্রেডিট কার্ড। গত দুই বছরে ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনে ৪০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

প্রথম আলো: নিরাপদ লেনদেনের জন্য ক্রেডিট কার্ডে ভবিষ্যতে কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার হতে পারে?

সেলিম আর এফ হোসেন: বর্তমানে নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটার ক্ষেত্রে পিন ও ওটিপির ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতেই আমরা প্লাস্টিক কার্ডের বদলে ভার্চ্যুয়াল কার্ডের ব্যবহার দেখতে পাব। মোবাইল ফোনভিত্তিক লেনদেনে কার্ডের গ্রাহকদের আগ্রহী করতে ইতিমধ্যে কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন শুরু হয়েছে।

প্রথম আলো: গ্রামগঞ্জে ক্রেডিট কার্ড জনপ্রিয় করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও ব্যাংকগুলো কীভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারে?

সেলিম আর এফ হোসেন: এজেন্ট ব্যাংকিং এবং উপশাখার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। যার ফলে গ্রামগঞ্জেও ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার লক্ষ করা যাচ্ছে। এখন ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেও বিকাশ বা নগদের মতো মোবাইল ওয়ালেট টপআপ করা যায় এবং গ্রামগঞ্জেও কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আমরা আশা করছি, সবার সম্মিলিত পদক্ষেপে গ্রামগঞ্জে বিভিন্ন লেনদেনের ক্ষেত্রে অচিরেই ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন