default-image

ঋণ পরিশোধে বাড়তি সুবিধা চেয়ে চিঠি দেওয়ার পর এবার ব্যাংকমালিকেরা গভর্নরের সঙ্গে দেখা করে দাবি তুলে ধরেছেন। আর দাবি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গতকাল সোমবার গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে ব্যাংকমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) বৈঠকে এমন আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঋণ পরিশোধে বাড়তি সময়সহ কোনো জমা ছাড়া সব চলমান ঋণ তিন বছর মেয়াদে পুনঃতফসিল এবং বিদ্যমান মেয়াদি ঋণ পরিশোধে বাড়তি তিন বছর সময় চেয়ে চিঠি দেয় বিএবি।

জানা গেছে, বিএবি ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে দাবি নিয়ে গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকে যান কয়েকজন চেয়ারম্যান। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

বিজ্ঞাপন

দেশের অর্থনীতিতে করোনাভাইরাসের বিরূপ প্রভাব বিবেচনা করে ঋণ পরিশোধে ২০২০ সালজুড়ে ছাড় দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে ঋণ শোধ না করলেও কেউ খেলাপি হননি। নতুন বছরে এ সুবিধা বহাল রাখেনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে মেয়াদি ঋণের যে মেয়াদ বাকি আছে, তা পরিশোধের সময় সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বা দুই বছর পর্যন্ত বাড়ানোর সুযোগ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীরা।

এখন ব্যাংকমালিকদের সংগঠন বিএবি দাবি করেছে, দেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো করোনাভাইরাসের ভয়াবহ প্রভাব কাটিয়ে উঠতে পারেনি। পোশাক কারখানাগুলোর ক্রয়াদেশ ৩০-৪০ শতাংশ কমেছে। এ জন্য মেয়াদি ঋণের মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি চলতি মূলধন ও তলবি ঋণের পরিশোধযোগ্য অংশকে মেয়াদি ঋণ হিসেবে পুনর্গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। এ ছাড়া বিএবি কোনো ডাউনপেমেন্ট বা এককালীন জমা ছাড়াই কমপক্ষে তিন বছরে ঋণ পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন