বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এবিবি নেতারা কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানান যে দেশের আইন যথাযথ পরিপালন করেই ব্যাংকে খারাপ পারদর্শিতা বা শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে কর্মীদের পদত্যাগ বা ছাঁটাইয়ের বিষয়টি ঘটে থাকে। অনেক কর্মী স্বেচ্ছায় বেশি বেতন ও সুবিধা নিয়ে অন্য ব্যাংকে যেমন চলে যান, তেমনি নানা পারিবারিক কারণ, স্থায়ীভাবে বিদেশ গমন ইত্যাদি কারণেও বড় সংখ্যক কর্মী স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়েন। আর যেসব ব্যাংকে আলাদা কমিশন আয়ভিত্তিক বিক্রয় প্রতিনিধি রয়েছে, সেগুলোর পদত্যাগকারী কর্মীর সংখ্যা স্বাভাবিক কারণেই বেশি হয়। অনেক ব্যাংক অন্য ব্যাংকের প্রশিক্ষিত বিক্রয়কর্মীদের স্থায়ী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকে।

সভায় এবিবি চেয়ারম্যান আলী রেজা ইফতেখার বলেন, যদি যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া কোনো ব্যাংক কোনো পদত্যাগকারী কর্মীর পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে গড়িমসি করে থাকে, তাহলে এই সংগঠন তার নিন্দা জানায়।

এবিবি জানায়, গভর্নর করোনাকালে কর্মীদের পদত্যাগ ও ছাঁটাইয়ের বিষয়ে সংবেদনশীলতার দিকে দৃষ্টি রেখে ব্যাংক এমডিদের মানবিক আচরণ প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি ব্যাংকের প্রাথমিক স্তরের কর্মীদের কম বেতন প্রসঙ্গে ব্যাংক এমডিদের উদারতা প্রদর্শনেরও পরামর্শ দেন। তিনি বলেন যে চাকরি ছাড়া কর্মীর সংখ্যা মহামারির আগের বছরগুলোর চেয়ে বেশি হওয়া কাম্য নয়।

এবিবি আরও বলেছে, সাক্ষাৎকার পর্বটি সৌহার্দ্যসুলভ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ব্যাংক এমডিদের ক্ষমা চাওয়ার মতো পরিস্থিতি, অবস্থা ও কারণ তৈরিই হয়নি। বিজ্ঞপ্তি

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন