বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে প্রিমিয়ার ব্যাংকের রোকেয়া সরণি শাখা থেকে মোট ১৩ কোটি ৬৪ লাখ ৩ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। ২০১৪ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে পাঁচটি খাতে ঋণ জালিয়াতি করে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায় প্রথম এই জালিয়াতি ধরা পড়ে। এর জেরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গত বছরের ২১ অক্টোবর এ ব্যাপারে কাফরুল থানায় একটি মামলা করে। পরবর্তী সময়ে আসামিদের কাছ থেকে ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

অভিযোগ পেয়ে এ ঘটনায় পৃথক অনুসন্ধান করে দুদক। প্রায় এক বছরের অনুসন্ধান শেষে গতকাল সংস্থাটি জুলফিকার আলী ও ফিরদৌস আলমের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা একাধিক গ্রাহকের অজান্তে তাঁদের নামে ব্যাংক হিসাব খুলে ঋণ নেন।

জানা গেছে, গ্রাহকের অজান্তে এভাবে ব্যাংক হিসাব খুলে ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করার অন্তত ১০টি ঘটনা ঘটেছে প্রিমিয়ার ব্যাংকের রোকেয়া সরণি শাখায়। ঘটনাগুলো ঘটে ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ জুলফিকার আলী (৪০) ও মো. ফিরদৌস আলমের (৫৯) পাশাপাশি মো. মোস্তফা নামের আরেক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে। এঁদের মধ্যে ফিরদৌস আলম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের নিরীক্ষা বিভাগের নথিপত্রে দেখা যায়, আসামি জুলফিকার আলীর আত্মসাৎ করা টাকার একটা অংশ মিরপুরে তাঁর বাবার নামে থাকা সুপারশপ ফ্যামিলি বাজার ও ব্লু মোটরস নামে একটি প্রতিষ্ঠানে খাটান। ব্যাংকিং লেনদেনের নথিতে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। দুদকের মামলার এজাহারে প্রিমিয়ার ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদনেও এই তথ্য উল্লেখ করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪২০/৪০৯/৪৭৭(ক)/১০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন