প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, কোরবানি পশুর চামড়া কেনার জন্য ইতিপূর্বে বিতরণ করা কোনো ঋণ খেলাপি হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতার গুদামে স্টক অথবা সহায়ক জামানত থাকা সাপেক্ষে উক্ত খেলাপি ঋণের বিপরীতে ন্যূনতম ২ শতাংশ অর্থ এককালীন গ্রহণ করে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণ পুনঃ তফসিল করা যাবে।

পুনঃ তফসিলীকরণের পর ব্যাংকিং নিয়ম মেনে ব্যাংকগুলো ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণগ্রহীতার সক্ষমতা যাচাই সাপেক্ষে চলতি বছর কোরবানি পশুর কাঁচা চামড়া কেনার জন্য ঋণ বিতরণ করতে পারবে।

ব্যাংকগুলো প্রতিবছরই কোরবানির চামড়ার কেনার জন্য জন্য বরাদ্দ করে। কিন্তু এ বরাদ্দের বড় অংশই বিতরণ করা যায় না। কারণ, চামড়া খাতের ব্যবসায়ীদের বেশির ভাগ রুগ্‌ণ হয়ে পড়েছে।

গত বছর ঈদুল আজহার আগে সরকারি-বেসরকারি ৯ ব্যাংক এ খাতে বরাদ্দ রেখেছিল ৬৪৪ কোটি টাকা। কিন্তু বিতরণ হয় মাত্র ৬৫ কোটি টাকা। এবার বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন