অর্থনীতির সত্যিকার ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য এখনই অবকাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। কারণ, ক্যাশনির্ভর অর্থব্যবস্থা পরিচালনা বেশ ব্যয়সাধ্য। লেনদেনের পাশাপাশি নগদ অর্থ বহনের বাড়তি ঝামেলাও রয়েছে। প্রিন্ট করা অর্থের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০১৯ সালের এক প্রতিবেদন বলছে, নগদনির্ভর লেনদেনের জন্য প্রতিবছর দেশের খরচ হচ্ছে ৯ হাজার কোটি টাকা। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিভিন্ন দোকান ও ব্যাংক সবচেয়ে বেশি নগদ অর্থ ব্যবহার করে, যা মোট নগদ টাকা ব্যবহারের ৩৩ শতাংশ। এ ছাড়া করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো ১৩ শতাংশ, সরকার ১০ শতাংশ ও ব্যক্তি খাতে ৬ শতাংশ নগদ টাকার ব্যবহার হয়ে থাকে।

এদিকে মাস্টারকার্ডের বৈশ্বিক এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৮ জন কন্ট্যাক্টলেস লেনদেন পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। তাই সহজ ও নিরাপদ আর্থিক লেনদেনের জন্য কন্ট্যাক্টলেস কার্ডের ব্যবহার বাড়াতে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে মাস্টারকার্ড।

এই খাতে প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হলে দেশে নগদ টাকার সরবরাহের প্রয়োজনীয়তা কমবে। আর কন্ট্যাক্টলেস লেনদেন দ্রুত সম্প্রসারিত হবে। আগামী বাজেটে ডিজিটাল লেনদেন খাতে ৫ শতাংশ প্রণোদনার সুপারিশ করেছেন এ খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা, যার ৩ শতাংশ পাবেন ব্যবহারকারী ও ২ শতাংশ যাবে মার্চেন্টদের কাছে। এ ছাড়া ডিজিটাল লেনদেনে ভ্যাট ও কর মওকুফ করা জরুরি।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন