বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: আপনার ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ করলে গ্রাহকেরা কী ধরনের সুবিধা পাবেন?

সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: সব ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা প্রায় কাছাকাছি। যেমন ধরেন একটা পণ্য কিনলে আরেকটা ফ্রি, বিভিন্ন আউটলেট ও যাতায়াতের টিকিটে ছাড়, ক্যাশব্যাক ইত্যাদি। এগুলো সব ব্যাংকই দিয়ে থাকে। হয়তো কারও আউটলেটের সংখ্যা বেশি, কারও কম। আমাদের ক্রেডিট কার্ডের গ্রাহকেরা বিমানবন্দরে লাউঞ্জ ব্যবহারের বিশেষ সুবিধা পান। বাংলাদেশে এখন আমাদেরই সবচেয়ে বেশি লাউঞ্জ। ঢাকায় দুইটা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট ও সৈয়দপুরে একটা করে মোট ছয়টি লাউঞ্জ ব্যবহার করতে পারেন গ্রাহকেরা।

প্রথম আলো: গ্রামের মানুষ ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার কম করে। ব্যাংকগুলোর সেখানে কাজ করার সুযোগ কতটুকু?

সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: গ্রামের মানুষ মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারে খুবই আগ্রহী। মোবাইল ব্যাংকিংকে একটা ডেবিট কার্ডের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। এতে করে মানুষ কিন্তু ডিজিটাল লেনদেনে আগ্রহী হচ্ছে। সুতরাং, গ্রামে-গঞ্জে কাজ করার বড় সুযোগ আছে। তবে সেখানে এখনো পয়েন্ট অব সেলস (পস) যন্ত্র পৌঁছানো যায়নি। এ জন্য নগদ টাকার ব্যবহার বেশি। সুতরাং, কাজ করার অনেক সুযোগ আছে। তবে সেটা বেশ চ্যালেঞ্জিং।

প্রথম আলো: দেশের প্রেক্ষাপটে ক্রেডিট কার্ডের ভবিষ্যৎ কী?

সৈয়দ মাহবুবুর রহমান: ভবিষ্যৎ বেশ ভালো। তবে কিছু নীতিমালা শিথিল হবে। টিআইএন নম্বরের বাধ্যবাধকতা না থাকলে কার্ডের গ্রাহক আরও দ্রুত বাড়ানো সম্ভব। যদি এমন একটা শর্ত দেওয়া যায় ক্রেডিট কার্ডে ৫ লাখ টাকা সীমার জন্য টিআইএন লাগবে না, তাহলে অনেকে কার্ড করবে। এ ছাড়া কার্ডের জন্য আন-ট্যাপড বাজারটা বেশ বড়। ব্যাংকের দিক থেকে কার্ড ভালো একটা পণ্যও বটে। এটা ব্যাংকগুলোকে ব্যবসা এনে দিচ্ছে। সুতরাং ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকেরা যেমন সুবিধা পাচ্ছে, ব্যাংকও লাভবান হচ্ছে।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন