বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুনানিকালে আদালত বলেন, নথি অনুসারে তাঁর (মাহবুবুল হক চিশতী) পরিবারের সবাই অপরাধের সঙ্গে জড়িত। মাহবুবুল হক চিশতী মূল ডিলার (বণ্টনকারী বা কারবারি)। তিনি পরিবারের সব সদস্যকে তাঁর অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করেছেন। রাশেদুলের আইনজীবীর উদ্দেশে আদালত বলেন, ‘৫৫ লাখ টাকার কথা বলছেন—এটি অংশবিশেষ। পুরো চিত্র হচ্ছে, পরিবারটি টোটালিটি (সার্বিকভাবে) অপরাধমূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত।’

একপর্যায়ে রাশেদুল চিশতীর আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ বলেন, ‘টোটালিটির মধ্যে আমার (রাশেদুল) বিরুদ্ধে সরাসরি একটি শব্দও নেই।’ শুনানিতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

ওই মামলায় গত বছরের ১৯ মে বিচারিক আদালত থেকে জামিন পান রাশেদ চিশতী। জামিনের বিরুদ্ধে দুদক হাইকোর্টে আবেদন করলে রুল হয়। জামিন আদেশ কেন বাতিল হবে না, তা রুলে জানতে চাওয়া হয়। এই রুল খারিজ করে গত ২৬ জানুয়ারি হাইকোর্ট রায় দেন। ফলে রাশেদ চিশতীর জামিন বহাল থাকে। এর বিরুদ্ধে দুদক আবেদন করে, যা ১ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন আদালত রাশেদুল হক চিশতীর জামিন বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া রায় চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন। সেই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে দুদককে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় দুদক লিভ টু আপিল করে। রাশেদুল হক চিশতীও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনগুলো গতকাল কার্যতালিকায় ওঠে।

ফারমার্স ব্যাংকে জালিয়াতির ঘটনায় ১৫৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকটির নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী, তাঁর স্ত্রী রুজী চিশতী, ছেলে রাশেদুল হক চিশতীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল গুলশান থানায় মামলাটি করেছিল দুদক।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন