দেশের ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহীর পদ ছাড়ছেন আরিফ খান। গতকাল রোববার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে এখনো তাঁর এ পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়নি। আরিফ খান নিজে তাঁর এ পদত্যাগের কথা প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, চাকরির বদলে এখন ব্যবসা করার চেষ্টা করবেন। সেটি হতে পারে এককভাবে বা কারও সঙ্গে যৌথ মালিকানায়। সেই কারণেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনারের পদ থেকে পদত্যাগ করে ২০১৬ সালে আইডিএলসির এমডি হিসেবে যোগ দেন আরিফ খান। এমডি হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি দায়িত্ব পালন করছিলেন। আরও এক বছরের বেশি এমডি হিসেবে তাঁর চুক্তির মেয়াদ ছিল। মেয়াদ শেষের আগেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। নিয়োগের চুক্তি অনুযায়ী, পদত্যাগপত্র কার্যকর করার জন্য এক মাসের সময় দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
আরও এক বছরের বেশি এমডি হিসেবে তাঁর চুক্তির মেয়াদ ছিল। মেয়াদ শেষের আগেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। নিয়োগের চুক্তি অনুযায়ী, পদত্যাগপত্র কার্যকর করার জন্য এক মাসের সময় দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ১৯৯১ সালে এবি ব্যাংকের প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ৩০ বছরের কর্মজীবনে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, বেক্সিমকো ফিশারিজ এবং জেনিথ ইনভেস্টমেন্ট, আইডিএলসি ফাইন্যান্সে কাজ করেছেন। ৩০ বছরের কর্মজীবনে তিনি ২০ বছরই কাটিয়েছেন আইডিএলসিতে।
মেয়াদ পূর্তির আগে পদত্যাগের কারণ সম্পর্কে আরিফ খান বলেন, ‘অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে সব ধরনের সূচকে আইডিএলসির আর্থিক ভিত্তি বেশ মজবুত অবস্থায় রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিতে যোগ্য নেতৃত্বও তৈরি হয়ে গেছে। তাই প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য এ সময়টিকে বেছে নিয়েছি।’

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন