বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, সিএসআর খরচের ৩০ শতাংশ শিক্ষা খাতে, ২০ শতাংশ পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ও ৩০ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে খরচ করতে হবে। বাকি অর্থ আয় উপযোগী উদ্যোগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, খেলাধুলা ও বিনোদন খাতে খরচ করা যাবে। এর বাইরে ব্যাংকগুলো চাইলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রণালয়ের তহবিলে সিএসআরের অর্থ দিতে পারবে। এই নীতিমালায় স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের কোন উপখাতে খরচ করা যাবে, তা সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পাশাপাশি কোন খাতে সিএসআরের টাকা খরচ করা যাবে না, তা–ও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিশুশ্রমে আছে এমন খাত, সামাজিক মূল্যবোধের জন্য ক্ষতিকর ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ও বিনোদন অনুষ্ঠানে সিএসআরের টাকা খরচ করা যাবে না। পাশাপাশি ব্র্যান্ডিং ও বিজ্ঞাপনে সিএসআরের টাকা খরচ করা যাবে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, নিট মুনাফার অর্থ সিএসআরে খরচ করা যাবে। পাশাপাশি বিদেশি ব্যাংকগুলো নিজেদের মুনাফার পাশাপাশি বিদেশি কার্যালয়ের অনুদান, ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলো জাকাতের টাকা ও সন্দেহজনক আয় সিএসআর খাতে খরচ করতে পারবে। এ ছাড়া ব্যাংক নিজে না পারলে ফাউন্ডেশন বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সিএসআর খাতে খরচ করতে পারবে।

করোনার কারণে ব্যাংকগুলোকে সিএসআর খাতের ৫০ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে খরচের নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে দেশের ব্যাংকগুলো ৪৬১ কোটি ৪২ লাখ টাকা সিএসআর ব্যয়ের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতেই ব্যয় করে ২৩৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, আগে ব্যাংকগুলোর সিএসআর খরচের জন্য শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তারা যুক্ত থাকতেন। ফলে সারা দেশের মানুষ এর সুফল পেতেন। এখন আর সেটা দেখা যায় না।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন