default-image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সময় অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ব্যাংকিং লেনদেন চলবে। লেনদেন-পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বেলা দুইটা পর্যন্ত। আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে লকডাউন ঘোষণা ও সীমিত পর্যায়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালানোর ঘোষণার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগামীকাল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাংকিং লেনদেন সময় হবে আড়াই ঘণ্টা। এই সময়ে শাখার নিকটবর্তী স্থানে বসবাসকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতির বিষয়টি অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি ও কর্মপরিবেশের বিষয়টি সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে পালন করতে হবে। ফলে ৫০ শতাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়েও অফিস পরিচালনা করা যাবে। এই সময়ে ব্যাংকের সব ধরনের লেনদেন চালু থাকবে।

বিজ্ঞাপন

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, অনলাইনে জমা ও উত্তোলন সুবিধা চালু রয়েছে, দুই কিলোমিটারের মধ্যে এমন একাধিক শাখা থাকলে ব্যাংকগুলো একটি শাখা চালু রাখতে পারবে। তবে বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন হয়, এমন শাখা এর আওতায় পড়বে না। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ব্যাংকের সান্ধ্যকালীন এবং সাপ্তাহিক ছুটিকালীন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে। এ ছাড়া এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার কার্যক্রম কীভাবে চলবে, ব্যাংকগুলো তা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। এই সময়ে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত অর্থ এবং অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম সার্বক্ষণিক চালু রাখতে উদ্যোগ নিতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লেনদেন সময় কমিয়ে আনায় ব্যাংকগুলোতে ভিড় আগের চেয়ে বেড়ে যাবে। এতে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।

এদিকে সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামীকাল সোমবার সকাল ৬টা থেকে ১১ এপ্রিল রাত ১১টা পর্যন্ত চলাচল ও কাজে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এ সময় শুধু জরুরি সেবা ছাড়া প্রায় সবকিছু বন্ধ থাকবে। এই সময়ের মধ্যে সব ধরনের গণপরিবহন (সড়ক, রেল, নৌ, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে উৎপাদন ও সেবায় নিয়োজিত গণপরিবহনের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। বিদেশি ও বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও এটা প্রযোজ্য হবে না।

ব্যাংক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন