default-image

সাধারণ বিমা করপোরেশনসহ দেশের বেসরকারি সাধারণ বিমা (নন-লাইফ) কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ব্যবসা করতে ব্রোকার পদ্ধতি চালু হচ্ছে। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এ ব্যাপারে একটি খসড়া বিধিমালা প্রকাশ করেছে।

এতে বলা হয়েছে, সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলোর পলিসি বিক্রি হবে ব্রোকারদের মাধ্যমে, যদিও এখন তারা নিজেরা বিক্রি করে থাকে। ব্রোকারদের এ জন্য আইডিআরএ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে। এ জন্য পরিশোধিত মূলধন লাগবে দুই কোটি টাকা। লাইসেন্স হবে তিন বছরের জন্য। লাইসেন্স ফি ৫০ হাজার টাকা। পরে ৫০ হাজার টাকা ফি দিয়ে আবার নবায়ন করতে হবে। তবে যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে পরিশোধিত মূলধনের ২০ শতাংশ অর্থাৎ ৪০ লাখ টাকা স্থায়ী আমানত জমা করে ব্যবসা শুরু করা যাবে।

তবে যথাসময়ে লাইসেন্স নিতে না পারলে প্রতিদিন বিলম্বের জন্য অতিরিক্ত পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে।

খসড়া বিধিমালায় বলা হয়েছে, একজন বিমা ব্রোকার যেসব কাজ করবে সেগুলো হচ্ছে বিমাকারীর পক্ষে বিমা এজেন্ট নিয়োগ করা বা বিমাকারীর জন্য নন-লাইফ বিমা ব্যবসা গ্রহণ, বিমাকারী বা পুনর্বিমাকারী অথবা উভয়ের জন্য সরাসরি নন-লাইফ বিমা ব্যবসা সংগ্রহ করা, উভয়ের জন্য প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাজ করে দেওয়া ইত্যাদি।

বিজ্ঞাপন

বিনিময়ে বিমা ব্রোকার কমিশন বা পারিশ্রমিক পাবেন। তবে বিমা ব্রোকার নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি টাকা নিতে পারবেন না। ব্রোকারের আওতায় থাকবেন এজেন্টরা। এ ব্যাপারে নন-লাইফ বিমা কোম্পানির সঙ্গে ব্রোকারের চুক্তি থাকতে হবে। চুক্তির অধীন যে প্রিমিয়াম আয় হবে, তার ভাগ পাবেন ব্রোকার ও এজেন্টরা।

বলা হয়েছে, বিমা আইন ২০১০-এর ১২৬ ধারা মোতাবেক নন-লাইফ বিমাকারীরা বিমা ব্রোকারের লাইসেন্সধারী কোম্পানিকে বিমা ব্রোকার হিসেবে নিযুক্ত করতে পারবে। বিমা ব্রোকার নন-লাইফ বিমা ব্যবসার প্রসারে এবং দেশের নন-লাইফ বিমা খাতে পেশাদারি সৃষ্টিতে বিশেষ অবদান রাখতে পারবে। ব্রোকারদের শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক পাস হতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই প্রথম ব্রোকার পদ্ধতি চালু হচ্ছে। বর্তমানে বিদেশি ব্রোকাররা এ ব্যাপারে কাজ করছেন। আশা করছি নন-লাইফ কোম্পানিগুলো সহযোগিতা করবে এবং খসড়ার বিষয়ে মতামত দেবে।’

মন্তব্য পড়ুন 0