default-image

১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এশিয়ান পেইন্টস দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম পেইন্ট সংস্থা হয়েছে, যার টার্নওভার বর্তমানে ২.৬ বিলিয়ন ডলার। এটি ১৫টি দেশে কাজ করছে এবং বিশ্বে ২৭টি উত্পাদনব্যবস্থা রয়েছে, যা ৬৫টির বেশি দেশে গ্রাহকদের সেবা দেয়। এশিয়ান পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড ২০০২ সালে কনফিডেন্স সিমেন্টের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য শীর্ষ শ্রেণির রঙের উত্পাদন করতে যাত্রা শুরু করে। এখন সংস্থাটি গ্রাহকদের সব রঙের চাহিদা মেটাতে তার দক্ষতা এবং উন্নত প্রযুক্তি আর উচ্চ পারফরম্যান্স ডেকোরেটিভ, মেরিন ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পেইন্ট পণ্য প্রস্তুত ও বিতরণ করছে।

আমদানি করা পেইন্ট বিক্রি শুরু করে এশিয়ান পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড দ্রুত ঢাকার উপকণ্ঠে গাজীপুরে নিজস্ব প্ল্যান্ট বা কারখানা গড়ে তোলে। বর্তমানে এ প্ল্যান্ট বছরে ২৫ হাজার কেএলের বেশি পেইন্ট উত্পাদন করে। আজ এশিয়ান পেইন্টস বাংলাদেশ তার নব সূচনা থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পেইন্ট সংস্থা হয়ে উঠেছে। একটি দেড় হাজারের বেশি সাপোর্টিভ ডিলার নেটওয়ার্কের উপস্থিতিসহ দেশজুড়ে সব শ্রেণির ভোক্তার পেইন্টিং চাহিদা মেটাতে খুব ভালোভাবে প্রস্তুত। ডেমরা, টঙ্গী, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, খুলনা, বগুড়া, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও ফেনীতে কৌশলগতভাবে অবস্থিত ডিপোগুলোর একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে এশিয়ান পেইন্টস। সংস্থাটির লক্ষ্য হচ্ছে, গ্রাহকদের সর্বাধিক বিভাগের সেরা পণ্য সরবরাহ করা।

বিজ্ঞাপন

এশিয়ান পেইন্টসও বেশ কয়েকটি উদ্ভাবনী ধারণা ও উদ্যোগ নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে কাজ করে যাচ্ছে। এর মধ্যে কয়েকটি রঙের দোকানের পরিবেশ আরও উন্নতকরণের কাজ উল্লেখযোগ্য (গ্রাহকদের আরও কার্যকরভাবে পণ্য ও রং বোঝার জন্য আকর্ষণীয় বিন্যাস এবং সরঞ্জামগুলো ব্যবহার করে নির্দিষ্ট আউটলেটগুলোতে আকর্ষণীয় শপ মেকওভারের মাধ্যমে), সিগনেচার দেয়ালের ধারণাকে জনপ্রিয় করে তোলা (একটি মাধ্যমে রয়েল প্লে স্পেশাল ইফেক্ট পেইন্টসের সফল সূচনা) এবং আবেদনকারীর শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ধারাবাহিক কাজ। বাংলাদেশে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত বিশ্বমানের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েল লাক্সারি এমালশন শাইন অ্যান্ড সিল্ক, রয়েল প্লে, রয়েল প্লে বারিক, অ্যাপেক্স আলটিমা প্রোটেক, অ্যাপেক্স আলটিমা এবং ড্যাম্প প্রুফ সিলিকন সিরামিক, স্মার্ট কেয়ার পণ্যগুলো, মেরামত পলিমার ইত্যাদি জলরোধী সমাধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বর্তমানে দেশে আরও ১ হাজার ২০০–র বেশি কালার ওয়ার্ল্ড রয়েছে (কয়েক মিনিটের মধ্যে বিস্তৃত শেড সরবরাহের জন্য স্বয়ংক্রিয় রং বিতরণ মেশিনের আউটলেট), যা গ্রাহকের প্রয়োজনে আরও ভালো সেবা প্রদান নিশ্চিত করেছে। ২০১৭ সালে এশিয়ান পেইন্টস কালার আইডিয়া চালু করে, যা বাংলাদেশে রঙের ইতিহাসের এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ২০১৮ সালে এশিয়ান পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড, ইজি কালার এবং ইজি পেইন্টিং চালু করেছিল।

ব্যুরো জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণের (বিএমইটি) সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে এবং এশিয়ান পেইন্টস কালার একাডেমি শুরু করার মাধ্যমে এই বছরও একটি নতুন প্রচেষ্টা নিয়েছে এশিয়ান পেইন্টস। এটি পেইন্টারদের আরও ভালো কারুকাজ এবং গ্রাহকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রশিক্ষণ দেবে। ২০০৯ সাল থেকে এশিয়ান পেইন্টস ‘সুপারব্র্যান্ড’ মর্যাদা পেয়ে আসছে।

বিজ্ঞাপন
করপোরেট সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন