বিজ্ঞাপন
default-image

গতকাল চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার হস্তান্তর অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, কেএসআরএম শুধু সিলিন্ডারভর্তি অক্সিজেন দিয়েই দায়িত্ব শেষ করবে না, সিলিন্ডার খালি হলে আবার অক্সিজেন ভর্তি করে দেবে। এতে অনেক প্রাণ অকালমৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাবে।

অনুষ্ঠানে কেএসআরএমের মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘যেকোনো দুর্যোগ সরকারের একার পক্ষে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়, যদি না বিভিন্ন খাত এগিয়ে আসে। আমরা সেই প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে অক্সিজেন তৈরির কারখানায় মেডিকেল অক্সিজেন উৎপাদন করে তা সরবরাহ করছি বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। এটি আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতারই অংশ। আমরা চাই প্রতিটি প্রাণ বেঁচে থাকুক, রক্ষা পাক অকালমৃত্যুর হাত থেকে। কারণ, প্রতিটি প্রাণে লুকিয়ে থাকে হাজারো স্বপ্ন।’

কেএসআরএম মূলত অক্সিজেন উৎপাদন করে রড তৈরির কারখানায় ব্যবহারের জন্য। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় তাদের অক্সিজেন প্ল্যান্ট রয়েছে। দুই কম্প্রেসারের ওই প্ল্যান্টের উৎপাদনক্ষমতা প্রতি ঘণ্টায় এক হাজার কিউবিক মিটার। কারখানায় ব্যবহারের জন্য এত দিন অক্সিজেন উৎপাদন হলেও সম্প্রতি মেডিকেল অক্সিজেনও উৎপাদন করা হচ্ছে। উৎপাদিত ওই অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।

এ ছাড়া দেশে করোনার সংক্রমণ শুরুর পর থেকে কেএসআরএম বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ নানা সেক্টরে পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, খাদ্যসামগ্রী, নগদ অর্থ সহায়তা দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার স্বাস্থ্য খাতে অক্সিজেনের সংকট দেখা দিলে অতীতের মতো এগিয়ে আসে কেএসআরএম।

করপোরেট সংবাদ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন