বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, করোনা মহামারি শুরুর পর বিমান যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে অবৈধ পথে আয় আসাও বন্ধ হয়। এ কারণে সব আয় ব্যাংকিং চ্যানেলে আসতে শুরু করেছিল। এতে প্রবাসী আয়ে নতুন নতুন রেকর্ড হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। এখন যোগাযোগব্যবস্থা চালু হয়ে গেছে। তাতে প্রবাসী আয়ও কমতে শুরু করেছে। করোনায় প্রবাসীরা যে ক্ষতির মুখে পড়েছেন, তা এখন বোঝা যাবে। আবার জনশক্তি রপ্তানির চিত্রও সুবিধাজনক নয়। তাই সামনে আয় আসা আরও কমে যেতে পারে বলে ধারণা করছে খাত সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ৭০৫ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসে প্রবাসী আয় এসেছিল ৮৮১ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় অক্টোবরে আয় কমেছে ৪ শতাংশ। সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৭২ কোটি ডলার। আর ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আয় এসেছিল ২১৫ কোটি ১০ লাখ ডলার।

ব্যাংকাররা বলছেন, করোনার কারণে বিমান যোগাযোগ ও অবৈধ পথ বন্ধ থাকার ফলে সব আয় ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছিল। এখন যোগাযোগ শুরু হওয়ায় বৈধ পথে প্রবাসী আয় আসা কমে গেছে। আগামী দিনে যা আরও কমে যেতে পারে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন