বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কুমিল্লা ভ্যাট কমিশনারেটে প্রায় ১১ হাজার প্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত। গতকাল বুধবার পর্যন্ত ৮৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ভ্যাট রিটার্ন দিয়ে ফেলেছে। তাদের প্রায় শতভাগই অনলাইনে রিটার্ন জমা দিয়েছে। অনলাইন রিটার্ন জমায় এক বছর ধরে অনলাইনে রিটার্ন জমায় শীর্ষে আছে এই কমিশনারেট। সাময়িক হিসাবে, বিদায়ী অর্থবছরে প্রথমবারের মতো তিন হাজার কোটি টাকার বেশি আদায় করেছে কুমিল্লা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত এক বছরে আমরা করদাতাদের বুঝিয়ে অনলাইনে এনেছি। তাঁরা এখন এই করোনাকালে চ্যালেঞ্জের সময়ে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ভ্যাট রিটার্ন দিচ্ছে। অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দেওয়ার সুফল তাঁরা পাচ্ছেন।’

অন্যদিকে যশোর ভ্যাট কমিশনারেটে ১৫ হাজার প্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত। তাদের প্রায় ৯৭-৯৮ শতাংশ করদাতা অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দেয়। জানা গেছে, এই কমিশনারেটে গতকাল পর্যন্ত ৮০ শতাংশের রিটার্ন জমা পড়ে গেছে। এই কমিশনারেটের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রতি মাসের ১০ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত একটি সহায়তাকেন্দ্র থাকে। কোনো করদাতা নিজ ঘরে বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে রিটার্ন দিতে না পারলে ওই সহায়তাকেন্দ্রে এসে অনলাইনেই রিটার্ন দিতে পারেন। ভ্যাট কর্মকর্তারা তাঁদের সহায়তা করেন।

অনলাইনে নিবন্ধিত ভ্যাটদাতারা নির্দিষ্ট সফটওয়্যারে প্রবেশ করে সরাসরি ভ্যাট রিটার্ন দিতে পারেন। নতুন ভ্যাট আইনে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার বিধান আছে। তা না হলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং নির্ধারিত ভ্যাটের টাকার ওপর ২ শতাংশ হারে সুদ আরোপ হয়। প্রশাসনিক আদেশ দিয়ে সময় বাড়ানোর সুযোগ নেই।

করোনার মধ্যেও এনবিআরের মাঠপর্যায়ে ভ্যাট অফিসগুলো সীমিত জনবল দিয়ে খোলা রেখেছে। অনেক সার্কেল অফিসে শুধু ভ্যাট রিটার্ন নেওয়ার জন্য কয়েক কর্মকর্তা-কর্মচারী গেছেন। কিন্তু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক ব্যবসায়ী ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে পারেননি। তাঁরা অনলাইনে নিবন্ধন নিয়ে এখন থেকে ঘরে বসেই রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ নিতে পারেন।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে আড়াই লাখের প্রতিষ্ঠান ভ্যাট নিবন্ধন নিয়েছে। তাদের দুই লাখের বেশি নিয়মিত রিটার্ন দেয়। আর এক লাখের বেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অনলাইনে বা ঘরে বসেই রিটার্ন জমা পড়ে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন