বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এডিবি বলছে, নতুন এই ঋণ বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পিত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করা হবে। এতে আর্থিক কর্মকাণ্ড ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করবে। এ ছাড়া এই অর্থ বাংলাদেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সামঞ্জস্য রেখে ব্যয় করা হবে, যাতে ২০৩১ সাল নাগাদ এ দেশের উচ্চমধ্যবিত্ত দেশে পরিণত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়।

* এডিবি বলছে, এ দেশের সিএমএসএমই এবং এসএমই খাতের মাত্র ২৮ শতাংশ উদ্যোক্তা ব্যাংকঋণ পান। * ঋণ বিতরণ বাড়িয়ে অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত সিএমএসএমইকে রক্ষার তাগিদ এডিবির।

এডিবির প্রিন্সিপাল ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট শ্রীনিবাসন জনার্দনম বলেন, ‘টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কর্মসূচির (এসইআরপি) আওতায় আর্থিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাতে বাংলাদেশ সরকার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সামাজিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করতে পারবে।’ তিনি আরও বলেন, এই কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশের সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থায় দক্ষতা বাড়বে এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ অর্থাৎ দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা জনগণ ঋণ পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

এডিবি বলছে, কোভিডের কারণে বাংলাদেশের অতিক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এই অবস্থায় কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায় (সিএমএসএমই) খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নের সুযোগ থাকা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এ দেশের সিএমএসএমই বা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এসএমই) মাত্র ২৮ শতাংশ উদ্যোক্তা ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ পান। সে জন্য ঋণ বিতরণ বাড়িয়ে অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত সিএমএসএমইকে রক্ষা করতে হবে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন