বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আটলে হোইয়্যা চিঠিতে অভিযোগ করেন, চট্টগ্রামে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা রয়েছে। সেখানকার শ্রমিকদের অনেকে কয়েকটি ফেডারেশনের ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত। সে জন্য আইবিসি আঞ্চলিক কমিটি গঠনের জন্য চট্টগ্রামে যান কেন্দ্রীয় নেতারা। ২৪ সেপ্টেম্বর আইবিসির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সালাউদ্দিন স্বপনকে ডাবলমুরিং থানা থেকে ফোন করে অনুমতি না নিয়ে বৈঠক করতে নিষেধ করা হয়। পরে সেই বৈঠক কোতোয়ালি থানা এলাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউটর অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। সভাটি হওয়ার কথা ছিল ২৫ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে তিনটায়। সেদিন সকালেই কোতোয়ালি থানা থেকে বিনা অনুমতিতে বৈঠক না করতে আবারও ফোন পান সালাউদ্দিন স্বপন। পরে সেই বৈঠক বন্দর থানা এলাকার বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার লীগের কার্যালয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন আইবিসির নেতারা। তবে নির্ধারিত সময়ে সেখানে শ্রমিকনেতারা পৌঁছে দেখেন, পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা গেট অবরুদ্ধ করে আছেন। শেষ পর্যন্ত সভা করতে ভেতরে যেতে পারেননি তাঁরা। একে স্বাধীনভাবে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) শ্রমিক সংঘ করার নিশ্চয়তাসংক্রান্ত কনভেনশনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন আটলে হোইয়্যার।

জানতে চাইলে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান আইবিসির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সালাউদ্দিন স্বপন। তিনি আজ রোববার প্রথম আলোকে বলেন, ‘গাজীপুর, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে আঞ্চলিক কমিটি করার পর আমরা চট্টগ্রামে যাই। বাকি তিন এলাকায় কোনো সমস্যা না হলেও চট্টগ্রামে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। মোবাইলে আমাকে সভা করতে নিষেধ করার পর আমি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ও শিল্প পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাঁরা আমাকে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন ও পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পরামর্শ দেন। তবে আমি রাজি হইনি।’

সালাউদ্দিন স্বপন আরও বলেন, ‘২৬ সেপ্টেম্বর সকালে চট্টগ্রামের একটি রেস্তোরাঁয় আমরা ১৬ সদস্যের আঞ্চলিক কমিটি গঠন করেছি। কমিটির সভাপতি আবদুল মান্নান ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ফয়েজ আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন।’

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন