বিজ্ঞাপন

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে গত ২৮ জুন থেকে সীমিত আকারে বিধিনিষেধ শুরু হয়। সেদিন থেকেই সারা দেশের দোকানপাট ও বিপণিবিতান বন্ধ রয়েছে। পরে ১ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়, যা এখনো চলমান।

ব্যবসায়ীরা জানান, কোরবানির ঈদকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে শুরু হয়। লকডাউনের কারণে সেই সময়ের বড় অংশই শেষ। শেষ ছয় দিন ব্যবসার সুযোগ পেলে কর্মীদের বেতন-ভাতা দেওয়ার অর্থের কিছুটা জোগাড় করতে পারবেন। তবে মুনাফা করার সম্ভাবনা একেবারেই কম। কারণ, করোনা বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই কেনাকাটায় নিরুৎসাহিত হবেন।

ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আবার কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হবে। সে সময়ও দোকানপাট, বিপণিবিতান বন্ধ থাকবে। এর মানে চলতি মাসের মধ্যে মাত্র আট দিন ব্যবসা করার সুযোগ পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে ২১ জুলাই ঈদ। সাধারণ ঈদের পর কয়েক দিন বেচাকেনা থাকে না। সেই হিসেবে ব্যবসার জন্য মাত্র ছয় দিন পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

ঈদুল আজহায় সারা দেশে কয়েক হাজার কোটি টাকার কোরবানির পশু বেচাকেনা হলেও তৈরি পোশাক, জুতা, রেফ্রিজারেটর, মুঠোফোন, আসবাবসহ অন্য অনেক পণ্যের বিক্রিও মন্দ হয় না। সেই ব্যবসা ধরতে এসব খাতের ব্যবসায়ীরা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেন। তবে বিধিনিষেধের কারণে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে, প্রজ্ঞাপন জারির পর ঢাকা নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দেওয়ান আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে বৃহস্পতিবার থেকে মার্কেট খোলা রাখার চেষ্টা করব।’

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ওই মাসের শেষ দিকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। সে কারণে গতবারের পয়লা বৈশাখের ব্যবসা মার খায়। ঈদুল ফিতরের আগের কয়েক দিন দোকানপাট খোলার সুযোগ পেলেও বিধিনিষেধের কারণে ব্যবসা খুব একটা হয়নি। বিপুল লোকসানের মুখে পড়েন ব্যবসায়ীরা। পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলে গত বছরের কোরবানির ঈদে মোটামুটি ব্যবসা হয়। চলতি বছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে পয়লা বৈশাখের ব্যবসায় ধস নামে। তবে ঈদুল ফিতরে ভালো ব্যবসা হয়। যদিও রোজার প্রথম ১১ দিন বিধিনিষেধের কারণে দোকানপাট ও বিপণিবিতান বন্ধ ছিল।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন