বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, গত বছর প্রথমবারের মতো জামালপুর ও ময়মনসিংহ পথে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ক্যাটল এক্সপ্রেস’ চালানো হয়। এ বছর যুক্ত হচ্ছে দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলো। মূলত ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর কোরবানির পশুহাটগুলোতে বিক্রির জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রেনে করে পশু আনা হবে।

চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার মো. মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে জানান, প্রথম দিন কাল শনিবার বেলা একটায় খুলনা স্টেশন থেকে পশু পরিবহনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হবে। বিকেল পাঁচটায় চুয়াডাঙ্গা থেকে পশু নিয়ে ঢাকার পথে রওনা হবে। পশু নামানোর জন্য ট্রেনটি ঢাকার তেজগাঁও রেলস্টেশন ব্যবহার করবে।

স্টেশনমাস্টার আরও জানান, পশু পরিবহনের জন্য ব্যবসায়ী ও খামারিদের কমপক্ষে একটি বগি ভাড়া নিতে হবে। প্রতিটি বগির ভাড়া ১৪ হাজার ৯০০ টাকা। ওই বগিতে যাঁদের গরু যাবে, তাঁরা সবাই মিলে ভাড়ার টাকা পরিশোধ করবেন। তিনি বলেন, ‘মূলত চাহিদার ওপর ভিত্তি করে ট্রেনটিতে বগি সংযোজিত হবে। চুয়াডাঙ্গা থেকে কোনো পশু ট্রেনে ওঠার সম্ভাবনা দেখছি না।’

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার ঈদুল আজহায় কোরবানির জন্য জেলায় মোট পশুর দরকার হবে ৭৫ হাজার ৩টি, সেখানে ৭ হাজার ৭৪৫টি খামারে ও পারিবারিকভাবে ১ লাখ ১২ হাজার ৯৫৫টি গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

অর্থাৎ সরকারি হিসাবেই জেলায় চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত ৩৭ হাজার ৯৫২টি পশু রয়েছে। কর্মকর্তাদের দাবি, এসব পশুর অন্তত ৩০ শতাংশ ইতিমধ্যে খামার থেকে সরাসরি বিক্রি হয়ে গেছে। অনলাইনেও বিক্রি হয়েছে বেশ। বড় বড় খামারিরা নিজেরাই ট্রাক ভর্তি করে গরু ঢাকার কোরবানির পশুহাটে নিয়ে গেছেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এ এইচ এম শামীমুজ্জামান জানান, অনলাইন পশুহাট ও ট্রেনে পশু পরিবহনের বিষয়টি অবগত করতে কয়েক দিন ধরে মাইকিং করা হয়েছে। বুধবার স্থানীয় খামারি ও গরু ব্যবসায়ীদের নিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা করা হয়েছে। তাঁদের কেউই ট্রেনে যেতে আগ্রহী নন।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন