অনুষ্ঠানে বাংলাদেশকে নরডিক বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হয়। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি করেছে, তার ওপর ভিত্তি করে এখানে বিস্তৃত সুযোগের ওপর জোর দেওয়া হয়। এ সময় বক্তারা দেশে নরডিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য সামগ্রিক ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ খাতের উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ‘সরকার বুঝতে পেরেছে যে সহজে ব্যবসা করার সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আরও ভালো হতে পারে। গত বছরে, বিশ্বব্যাংকের ইজ অব ডুয়িং বিজনেস র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ ১০টি সংস্কারক দেশের মধ্যে ছিল। আমরা ২০২২ সালের মধ্যে এ তালিকায় উল্লেখযোগ্য উন্নতির লক্ষ্য নিয়েছি।’

বাংলাদেশে নরডিক দূতাবাসের পক্ষে বক্তব্য দেন নরওয়ের রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার সুভেন্ডসেন। তিনি বলেন, ‘বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অসংখ্য সাফল্যের কাহিনি প্রমাণ করে যে দেশটি প্রকৃতপক্ষে ব্যবসার ক্ষেত্রে সুযোগের দেশ, যা সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে আয়ত্ত করা যায়। আমরা আশা করছি যে এই বুকলেট বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবধান কমাতে অবদান রাখবে এবং বাংলাদেশকে নরডিক কোম্পানিগুলোর জন্য একটি আকর্ষণীয় বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রাহমাতুল মুনিম বলেন, ‘বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীসহ স্টেকহোল্ডারদের সহায়তা করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছে এনবিআর। আমরা প্রতিনিয়ত হালনাগাদ করছি এবং ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের চাহিদা পূরণের জন্য ডিজিটাইজেশন গ্রহণ করছি। দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল রয়েছে, যা নরডিক বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য করে তুলেছে।’

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন