বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মেঘনা গ্রুপের নতুন এই ব্যবসায় দেখভাল করছেন গ্রুপটির অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইউনিক সিমেন্টের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, ‘ব্যবসায় বৈচিত্র্য আনতে এবং ভোক্তাদের ওয়ান–স্টপ সেবা দিতে নতুন এ ব্যবসায় যুক্ত হয়েছে মেঘনা গ্রুপ। আগে থেকে আমরা সিমেন্ট, সিরামিক ও স্টিলসহ বিভিন্ন ধরনের নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এরই ধারাবাহিকতায় পাথর ও কয়লার ব্যবসায় যুক্ত হয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘এক বছর ধরে আমরা পাথর আমদানি ও বাজারজাত করছি। এরই মধ্যে দুই জাহাজ কয়লা আমদানি করে বিক্রি করেছি। আরও দুই জাহাজ কয়লা বিক্রির জন্য আনা হয়েছে।’

দেশের বড় এই শিল্পগোষ্ঠীর কারখানার সংখ্যা বর্তমানে ৪৮। এতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩৫ হাজার মানুষের। এই শিল্পগোষ্ঠীর বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ২১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। সিমেন্ট, কাগজ, জাহাজ নির্মাণ, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), পানীয়, বিস্কুট, মোড়কজাতকরণ, চিনি, ভোজ্যতেলসহ নিত্যব্যবহার্য পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ নানা খাতে ব্যবসা রয়েছে মেঘনা গ্রুপের।

রাজস্ব বোর্ডের তথ্যে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে কাঁচামাল ও পণ্য আমদানিতে এককভাবে শীর্ষে রয়েছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রি। গত অর্থবছরে গ্রুপটি ৭৪ লাখ টনের বেশি পণ্য ও কাঁচামাল আমদানি করেছে। সব মিলিয়ে গ্রুপটি ১৪ হাজার কোটি টাকার বেশি পণ্য আমদানি করেছে। আমদানির তালিকায় যেমন রয়েছে নিত্যব্যবহার্য পণ্য, তেমনি রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদনমুখী শিল্পের কাঁচামাল। গ্রুপটির বহরে নতুন করে পাথর ও কয়লা আমদানি যুক্ত হওয়ায় আমদানির পরিমাণও বাড়বে।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরে এখন গ্রুপটির কয়লাবাহী জাহাজ রয়েছে। কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ‘এসএসআই স্পেল্ডিড’ জাহাজে রয়েছে ৬৩ হাজার ৪০৩ টন কয়লা। অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বন্দর থেকে কয়লা নিয়ে এসেছে জাহাজটি। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরে গ্রুপটি দুই লাখ টনের বেশি কয়লা আমদানি করেছে। পাশাপাশি পাথরও আমদানি করছে। ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া থেকে ভালো মানের কয়লা আমদানি করছে গ্রুপটি। পাথর আমদানি করা হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।

কয়লা ব্যবহৃত হয় ইটভাটা ও চা বাগানে। বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহারের কয়লা অবশ্য সরাসরি বা ঠিকাদারের মাধ্যমে আমদানি করে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো। আর পাথর ব্যবহার করা হয় নির্মাণকাজে।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন