default-image

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের ফলে বাংলাদেশকে কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। সম্ভাব্য সেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে গতকাল মঙ্গলবার ২২ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
কমিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতি, পরিকল্পনা গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও তদারকি করবে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস এ কমিটির সভাপতি। আর ১৬ জন সচিব রয়েছেন সদস্য হিসেবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), ট্যারিফ কমিশন, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ, ঢাকা চেম্বার ও ওষুধশিল্প সমিতির সভাপতিদের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর দেশের কোন কোন খাতে কী প্রভাব পড়তে পারে, তা নির্ধারণ করা। প্রতিটি খাতের জন্য মূল দায়িত্ব পালনকারী ও সহযোগী দায়িত্ব পালনকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরগুলোর ম্যাপিং করা এবং দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাণিজ্য সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে কমিটির কাজ।

বিজ্ঞাপন
কমিটি তিন মাসে একবার বৈঠক করবে এবং অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। প্রয়োজনে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা দপ্তরের প্রতিনিধি বা অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে এই কমিটি।

কমিটি মুক্ত বা অগ্রাধিকার বাণিজ্য চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত সামঞ্জস্যপূর্ণ শুল্কনীতি প্রণয়নে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে পরামর্শ দেবে। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোকে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাজ নিয়মিত তদারকও করবে এই কমিটি।

কমিটি তিন মাসে একবার বৈঠক করবে এবং অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। প্রয়োজনে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা দপ্তরের প্রতিনিধি বা অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে এই কমিটি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (নির্বাহী সেল ও পিইপিজেড) কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে থাকছেন। কমিটিতে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ (বিআইডিএস) বেসরকারি কোনো গবেষণা সংস্থার কাউকে রাখা হয়নি।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন