বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক আরও বলছে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে, অর্থাৎ ২০২৬ সাল নাগাদ বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু বার্ষিক আয় তিন হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। ওই সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার বেড়ে ৫০ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার অনলাইনে বাংলাদেশ নিয়ে গ্লোবাল রিসার্চ ব্রিফিংয়ের (২০২১) আয়োজন করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। এতে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা অংশ নেন। সেখানে করোনা সংকটে বৈশ্বিক ও বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে বিভিন্ন সম্ভাবনা ও সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ সম্পর্কে বলা হয়, এ দেশে টাকার মান কমছে।

সংবাদ সম্মেলনে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের গ্লোবাল হেড অব রিসার্চ অ্যান্ড চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট এরিক রবার্টসেন বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হচ্ছে। কিন্তু এই পুনরুদ্ধার মসৃণ নয়, গোলমেলে। তাই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানটির দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক অর্থনীতিবিদ সৌরভ আনন্দ বলেন, রপ্তানি ও প্রবাসী আয়ের সহায়তা নিয়েই ৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হতে পারে। সরকারেরও নীতিসহায়তা আছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ৬ থেকে ৯ মাস বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকা প্রদানে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। তাহলে বেসরকারি বিনিয়োগ আসবে।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটস মুহিত রহমান বলেন, সম্প্রতি এ দেশে টিকা দেওয়ায় গতি এসেছে। আগে গ্রাহকেরা বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে কথা বলত না। দুই মাস ধরে গ্রাহকদের এসব নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, ব্র্যান্ড ও মার্কেটিং বিটপী দাস গুপ্ত।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন