বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এখন শুধু শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ দিয়ে পণ্য রপ্তানি হয়। সেখানে পণ্য স্ক্যানের জন্য সচল আছে মাত্র দুটি স্ক্যানার। তা দিয়ে বিপুল পণ্যের চাপ সামাল দেওয়া প্রায় অসম্ভব।
নাসির উদ্দিন, সহসভাপতি, বিজিএমইএ

কমিটির সদস্য ছিলেন পোশাকমালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি নাসির উদ্দিন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে পোশাকের ক্রয়াদেশ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। একই সঙ্গে কৃষিজাত পণ্যেরও রপ্তানি বাড়ছে। এখন শুধু শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ দিয়ে পণ্য রপ্তানি হয়। সেখানে পণ্য স্ক্যানের জন্য সচল আছে মাত্র দুটি স্ক্যানার। দুটি স্ক্যানার দিয়ে বিপুল পণ্যের চাপ সামাল দেওয়া প্রায় অসম্ভব। তাই বিকল্প হিসেবে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজ তৈরির সুপারিশ করা হয়েছে।

এদিকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মাহবুব আলীও চান পণ্য রপ্তানিতে শাহজালাল বিমানবন্দরের ওপর থেকে একক নির্ভরশীলতা কমিয়ে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দরকে কাজে লাগাতে। তাই সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে চট্টগ্রাম ও সিলেটে কার্গো ভিলেজ তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। তার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও বেবিচককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বেবিচকের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজ তৈরিতে যে পরিমাণ জায়গার প্রয়োজন হবে, তা নেই। কার্গো ভিলেজ করতে বাড়তি জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। অন্যদিকে সিলেট বিমানবন্দরে স্বল্প পরিসরে কার্গো ভিলেজ করা যাবে বলে মত দিয়েছে বেবিচক।

বেবিচকের কর্মকর্তারা বলছেন, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানি করতে হলে দুটি করে মোট চারটি এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন স্ক্যানার (ইডিএস) প্রয়োজন হবে। চারটি ইডিএস মেশিন জরুরি ভিত্তিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে কেনার জন্য বেবিচক ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে নির্দেশ দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের সব কটি ইডিএস নষ্ট হয় গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে। পরে রপ্তানিকারকদের চাপে দুটি ইডিএস মেশিন চালু করা হয়। পাশাপাশি জট কমাতে ডগ স্কোয়াডের চারটি কুকুর দিয়ে পণ্য যাচাই বা শনাক্তের কাজ করা হচ্ছে। পণ্যজটের কারণে এখনো ঢাকার বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটের সামনে অপেক্ষায় থাকে পণ্যবাহী ট্রাক। জায়গার অভাবে অনেক পণ্য খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখা হয়েছে দিনের পর দিন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতে সময়মতো পণ্য ক্রেতার হাতে যাচ্ছে না।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কার্গো ভিলেজে এখন দৈনিক গড়ে ৬০০ টন পণ্য স্ক্যান করা হচ্ছে। প্রতিদিন ২৫টি কার্গো বিমান এ বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা করে। যাত্রীবাহী (প্যাসেঞ্জার) বিমানেও পণ্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ইডিএস পরিচালনার মতো দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে। তাই শুধু যন্ত্র আনলেই হবে না, জনবলও নিয়োগ দিতে হবে। ঢাকা বিমানবন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানির কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ২০০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ৫২০ জন হেলপারের চাহিদা রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে কার্গো এলাকার জন্য ১০০ জন কর্মকর্তা ও ২০০ জন হেলপার নিয়োগে মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

এদিকে বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পণ্যের নিরাপত্তাতল্লাশি ও যাচাই এবং সনদ দিতে একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করেছে বেবিচক। নীতিমালাটি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন