বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ১ জুলাই কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ শফি উদ্দিন খাদ্যসচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুমকে চিঠি দিয়ে এ টাকা পরিশোধের অনুরোধ জানিয়েছেন। পে-অর্ডারের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতে হবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনারের নামে। এ জন্য সময় দেওয়া হয় ৩০ দিন, যা ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে।

এদিকে খাদ্য মন্ত্রণালয় টাকার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের শরণাপন্ন হয়েছে। গত ২০ জুলাই এ ব্যাপারে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয় অর্থসচিব আবদুর রউফ তালুকদারকে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আবু সাঈদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বহির্ভূত একটি প্রকল্প। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেটে এ প্রকল্পের চার গাড়ির শুল্ক–কর পরিশোধ বাবদ বাজেট বরাদ্দ নেই। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব বা পরিচালন বাজেটে এ ব্যাপারে বরাদ্দ দরকার।

অর্থ বিভাগ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে এবং বরাদ্দ দেবে বলে জানা গেছে।
২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তৎকালীন সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন এবং এফএও ঢাকার তৎকালীন প্রতিনিধি মাইক রবসনের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো জানায়, শুল্ক–কর পরিশোধের পর গাড়িগুলো ব্যবহার করবে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। জাতিসংঘের আওতাভুক্ত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে এগুলো শুল্কমুক্তভাবে দেশে এসেছিল। এখন যেহেতু মন্ত্রণালয় ব্যবহার করবে, তাই শুল্ক–করের প্রশ্ন এসেছে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন