বিজ্ঞাপন

বন্দরের তথ্যে দেখা যায়, বন্দরের বহির্নোঙরে এখন কনটেইনারবাহী জাহাজ রয়েছে ১০টি। এসব জাহাজ জেটিতে ভেড়ানোর জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। জেটিতে যেসব জাহাজ থেকে পণ্য খালাস ও বোঝাই হচ্ছে, সেগুলো বন্দর ত্যাগ করলে অপেক্ষমাণ জাহাজ জেটিতে ভিড়তে পারে। প্রতিদিন গড়ে তিনটি জাহাজ বন্দর জেটি ছেড়ে যায়। তাতে অপেক্ষমাণ তিনটি জাহাজ জেটিতে ভিড়তে পারে। কনটেইনার ছাড়া সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজ কমবেশি ১০-১২টি অপেক্ষায় থাকছে।

বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, বহির্নোঙরে আসার পর প্রতিটি জাহাজকে এখন জেটিতে ভেড়ানোর জন্য কমবেশি তিন দিন অপেক্ষা করতে হয়। সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজের ক্ষেত্রে অপেক্ষার সময় আরও বেশি।

বন্দর ব্যবহারকারীরা জানান, সাড়ে ১৩ বছর ধরে নতুন কোনো জেটি নির্মিত না হওয়াই বন্দরের মূল সমস্যার কারণ। বন্দর দিয়ে কনটেইনার ও সাধারণ পণ্য পরিবহন বাড়লেও ২০০৭ সালের পর নতুন কোনো জেটি হয়নি। বন্দরে এখন ১৮টি জেটিতে একসঙ্গে ১৬-১৭টি জাহাজ ভেড়ানো যায়। এ সীমিতসংখ্যক জেটি দিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে। পণ্য পরিবহন বাড়লে জাহাজ বা কনটেইনারের জট ঠেকানোর মতো অবকাঠামো নেই।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন