বিজ্ঞাপন

এতে আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম শিকদার বলেন, ‘আমরা জানুয়ারিতে আলেশা মার্ট চালু করি। প্রথম মাসে সেভাবে কোনো পণ্য বিক্রি হয়নি। এরপর আমরা ভর্তুকি দিয়ে মোটরসাইকেল বিক্রি শুরু করি। তবে অন্য পণ্যে ভর্তুকি দেওয়া হয়নি। এই সাত মাসে আমরা দেশের তিনটি শীর্ষ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের একটি হয়েছি। ইদানীং ই-কমার্স নিয়ে অনেক অভিযোগ উঠছে। দেখতে একই রকম বলে মনে হতে পারে সবাই এক। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। কোনো পণ্য সরবরাহকারী টাকা পাবেন না। আমরা তো তাদের অগ্রিম ৩৫০ কোটি টাকা দিয়ে রেখেছি। আমাদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদেরও কোনো অভিযোগ নেই।’

সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রমের (সিএসআর) অংশ হিসেবে আলেশা মার্ট গড়ে তোলা হয়েছে জানিয়ে মঞ্জুর আলম শিকদার বলেন, ‘অন্য ব্যবসায় আমাদের মুনাফা হয়। এখানে লোকসান হয়। সিএসআরের অংশ হিসেবে আলেশা মার্ট এখন চলছে। নিশ্চয়ই কিছু সময় পর এই ব্যবসায়িক মডেলে পরিবর্তন আসবে। পৃথিবীতে কোথাও ই-কমার্সে সিএসআর মডেল নেই। আমরাই প্রথম এই মডেলে ব্যবসা করছি।’

default-image

আলেশা মার্টে ৩২ হাজার পণ্য রয়েছে জানিয়ে মঞ্জুর আলম শিকদার বলেন, শুধু মোটরসাইকেলে ছাড় দেওয়া হয়। অন্য পণ্য নির্দিষ্ট দামে বিক্রি হচ্ছে। আমাজন, আলিবাবাসহ বিশ্বের অনেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান এভাবে ছাড় দেয়। বছরের পর বছর লোকসান করে। তারা এখন ই-কমার্সে শীর্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আলেশা হোল্ডিংয়ের একটি প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্ট। হোল্ডিংয়ের ১৯টি প্রতিষ্ঠানের চালু আছে ১১টি। এর মধ্যে মুনাফা করছে চারটি। এসব টাকায় আলেশা মার্টে ভর্তুকি হিসেবে যাচ্ছে।

সম্প্রতি ইভ্যালিসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে পণ্য না দেওয়ার বড় অভিযোগ ওঠে। এরপর ব্যাংকগুলো এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্ডে লেনদেন বন্ধ করে দেয়। বিকাশও একই সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে বিপাকে পড়েছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিমালা দিয়েছে, গ্রাহক পণ্য পাওয়ার পরই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের হিসাবে টাকা জমা হবে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন