বিজ্ঞাপন

বিসিএমইএ সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা বলেন, দেশীয় টাইলসের উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক দিতে হয়। বিক্রয় পর্যায়েও ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা আছে। সেখানে আমদানি পর্যায়ে ট্যারিফ মূল্য কমানো হয়েছে। এতে দেশীয় পণ্য অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হবে। সিরামিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ কমে যাবে। ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হবে। দেশীয় সিরামিক খাতের সুরক্ষায় বিদেশি টাইলসের আমদানি পর্যায়ে ন্যূনতম ট্যারিফ মূল্য বাড়ানো দরকার।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইরফান উদ্দিন বলেন, দেশীয় টাইলস ও স্যানিটারি পণ্য বর্তমানে আর বিলাসী পণ্য নয়। স্বাস্থ্যসম্মত বাড়ি নির্মাণে এই পণ্যগুলো অপরিহার্য। দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যায়ে সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা হলে দাম কমবে। তখন ব্যবহার ও বিক্রির পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বৃদ্ধি পাবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএমইএর নেতারা বলেন, সিরামিক খাতের প্রধান প্রাথমিক কাঁচামালের প্রায় ৮০ শতাংশই প্রাকৃতিক খনিজ মাটিজাতীয় পদার্থ। সিরামিক পণ্য প্রস্তুতে মোট উপকরণের মধ্যে চায়না ক্লে ও বল ক্লে ৬০ শতাংশ। এসব কাঁচামাল আমদানি করতে হয়। খনি থেকে কারখানা পর্যন্ত কাঁচামাল পরিবহন ও পণ্য প্রস্তুত হওয়া পর্যন্ত ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ অবচয় হয়ে থাকে। অথচ আমদানিতে অদৃশ্য পানিসহ

শতভাগ পণ্যের ওপরই সব ধরনের শুল্ক ও কর পরিশোধ করতে হচ্ছে। তাই সিরামিকের পণ্য তৈরিতে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানিতে ৩০ শতাংশ অবচয় ধরে আমদানি শুল্ক পরিশোধ ব্যবসাবান্ধব হবে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন