বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের সাউথ এশিয়ান ইকোনমিক ফোকাস প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসব ঝুঁকি থাকার কথা বলা হয়েছে। ‘মোড় পরিবর্তন: ডিজিটাইজেশন ও সেবানির্ভর উন্নয়ন’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৬ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আরও বেড়ে ৬ দশমিক ৯ শতাংশে উন্নীত হতে পারে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সরকার চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংক আরও বলছে, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধ থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। তবে দেশের অর্থনীতি পুরোপুরি পুনরুদ্ধারের বিষয়টি নির্ভর করছে টিকা দেওয়ার ওপর। কিন্তু টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো বেশ পিছিয়ে। টিকা কার্যক্রমে দক্ষিণ এশিয়ায় একমাত্র আফগানিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। গত সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতি ১০০ জনের ১৪ জন কমপক্ষে এক ডোজ টিকা পেয়েছেন। অন্যদিকে ভুটান ও মালদ্বীপের ৬০ শতাংশ মানুষকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়ে গেছে। ভারতের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়ে গেছে ১৫ শতাংশ মানুষের।

বিশ্বব্যাংক বলছে, করোনার কারণে নতুন স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে অর্থনীতির নতুন গতিপথ ঠিক হচ্ছে। সেখানে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা খাত প্রাধান্য পাচ্ছে।

প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে গত বুধবার সন্ধ্যায় (বাংলাদেশ সময়) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন থেকে অনলাইনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিশ্বব্যাংক। এতে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন