বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গাজীপুর স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৩১২টি পোশাক কারখানা টিকা পেতে আবেদন করেছে। বিপুলসংখ্যক শ্রমিককে টিকা দিতে অনেক জনবল দরকার। যেসব কারখানায় ৫০০ বা তার কাছাকাছি শ্রমিক আছেন, তাঁদের টিকার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ থাকবে। ওই দিন একটি খোলা স্থানে বুথ ও বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হবে। আর যেসব কারখানায় এক হাজার বা তার বেশি শ্রমিক আছেন, সেসব কারখানার নিজস্ব স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে গাজীপুরের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। তাঁরা শ্রমিকদের টিকা দেবেন। কারখানা কর্তৃপক্ষ নিজ দায়িত্বে বুথ ও শ্রমিকদের বিশ্রামের ব্যবস্থা করবে।

এ বিষয়ে গাজীপুরের সিভিল সার্জন মো. খায়রুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, টিকার জন্য নিবন্ধন করতে হবে। তবে সেটি শ্রমিকেরা না করে কারখানা কর্তৃপক্ষ করবে। তাদের এসএমএসের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। টিকা দেওয়ার সময় এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। তবে ১১ বা ১২ আগস্ট শ্রমিকদের টিকা দেওয়া শুরু করার সম্ভাবনা আছে।

শ্রমিকদের ব্যাপকভাবে টিকা দেওয়া শুরু না হলেও বিশেষ ব্যবস্থায় দু-একটি কারখানার শ্রমিকেরা টিকা পেতে শুরু করেছেন। যেমন গত শনিবার নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মিথিলা গ্রুপের ১ হাজার ২৫৬ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ নজরুল ইসলাম, মিথিলা গ্রুপের চেয়ারম্যান আজহার খান প্রমুখ।

বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান গতকাল রোববার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা আশা করছি, সারা দেশে সপ্তাহব্যাপী চলমান টিকা প্রদান কার্যক্রম শেষে পোশাকশ্রমিকদের ব্যাপকভাবে টিকা দেওয়া শুরু হবে। ইতিমধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় শনিবার নারায়ণগঞ্জ ও মানিকগঞ্জের দুটি কারখানায় টিকা দেওয়া হয়েছে। আবার প্রচলিত নিবন্ধন করেও অনেক শ্রমিক টিকা নিচ্ছে।’

এদিকে বিকেএমইএর ৬০টি কারখানা করোনার টিকার জন্য শ্রমিক ও কর্মচারীর তালিকা সংগঠনের কার্যালয়ে পাঠিয়েছে। এসব কারখানায় কাজ করেন প্রায় তিন লাখ শ্রমিক। তবে তাঁদের কবে নাগাদ টিকা দেওয়া শুরু হবে, সেটি জানায়নি নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন কার্যালয়।

বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমাদের জানিয়েছেন, ছোট ছোট তালিকা অনুযায়ী টিকা দেওয়া হবে। আশা করছি, শিগগিরই অল্প কয়েকটি কারখানায় টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।’

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন