বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানুয়ারি মাসের শুরুতে ডলারের বিনিময়মূল্য ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা করেছিল বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর ২৩ মার্চ তা আবার ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ২০ পয়সা করা হয়েছিল। এরপর ২৭ এপ্রিল ২৫ পয়সা বাড়িয়ে করা হয় ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা। সর্বশেষ গত সোমবার আবার ২৫ পয়সা বাড়ানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে প্রতিনিয়ত ডলার বিক্রি করছে। আর ডলারের চাহিদা বেশি হলে ধীরে ধীরে দাম বাড়াচ্ছে। এভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে অর্থনীতিবিদেরা ডলারের দাম চাহিদা ও জোগানের ওপর ছেড়ে দেওয়ার পক্ষে।

ব্যাংকাররা বলছেন, ঈদের কারণে দেশে উল্লেখযোগ্য হারে প্রবাসী আয় এসেছে। তবে আমদানি খরচ যেভাবে বেড়েছে, তাতে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয় বাবদ আসা ডলার দিয়ে সেই খরচ মেটানো যাচ্ছে না। ফলে ডলার নিয়ে দেশের মুদ্রাবাজারে এখন অস্থিরতা বিরাজ করছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, ডলারের সংকট শিগগিরই কমার কোনো লক্ষণ নেই। এ সংকটের প্রভাব পড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গচ্ছিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। পাশাপাশি ব্যাংক ব্যবস্থায় নগদ টাকারও সংকট দেখা দিয়েছে। কারণ, বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রি করে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। এতে চলতি হিসাবে লেনদেনের ভারসাম্যেও ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যেভাবে ডলারের দাম ধরে রেখেছে, তাতে অন্য দেশের সঙ্গে অসংগতি তৈরি হচ্ছে। রপ্তানিকারকেরা কম মূল্য পাচ্ছেন। প্রবাসীরাও আয় পাঠাতে অবৈধ চ্যানেলের খোঁজ করছেন।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন