বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি ওই অর্থবছরে বিভিন্ন সেবা খাতের বিপরীতে উৎসে ভ্যাট বাবদ ১২ লাখ ৬ হাজার টাকা ভ্যাট পরিশোধ করেছে। তবে প্রতিষ্ঠানের ভ্যাটের পরিমাণ ছিল ৩১ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। তার মানে ১৯ লাখ ৭৩ হাজার টাকা অপরিশোধিত ছিল। এ ফাঁকির ওপর ভ্যাট আইন অনুসারে মাসিক ২ শতাংশ হারে ২ লাখ ৩২ হাজার ৮৪৬ টাকা বিলম্বজনিত সুদ প্রযোজ্য হবে।

এ ছাড়া ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিজ্ঞাপনের বর্ধিত মূল্যের ওপর অতিরিক্ত রেয়াত, চায়ের জন্য টি পেপার ক্রয়ে অতিরিক্ত রেয়াতসহ বিভিন্ন খাতে ড্যানিশ ফুডসের ৬৪ লাখ ২১ হাজার ৮০৬ টাকা ভ্যাট দেওয়ার কথা ছিল। তবে প্রতিষ্ঠানটি সেই টাকা পরিশোধ করেনি। আবার সাড়ে ৭ শতাংশ উপকরণ মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় সংশোধিত মূল্য ঘোষণা না দেওয়ায় বর্ধিত মূল্যের ওপর গৃহীত রেয়াত কর্তন বাবদ ৩ কোটি ৭০ লাখ প্রদান করার কথা ছিল প্রতিষ্ঠানটির। তারা ১ কোটি ১১ লাখ টাকা সমন্বয় করে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির অপরিশোধিত ভ্যাটের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৫৯ লাখ ৬২ হাজার টাকা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব মিলিয়ে ড্যানিশ ফুডসের অপরিশোধিত ভ্যাটের পরিমাণ ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। আর সুদের পরিমাণ ২ লাখ ৩২ হাজার ৮৪৬ টাকা। ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ অপরিশোধিত ভ্যাটের অভিযোগ মেনে নিয়ে স্বপ্রণোদিত হয়ে ২ কোটি ৪৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে।
ভ্যাট গোয়েন্দার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তদন্তে উদ্‌ঘাটিত অপরিশোধিত বাকি রাজস্ব আদায় ও পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য ড্যানিশ ফুডসের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা থাকায় তাদের সার্বিক কার্যক্রমের ওপর বিশেষ নজরদারি রাখতে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেট কার্যালয়কে তদারকির অনুরোধ করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন