বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ব্যবসাবান্ধব নীতি ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করার কথা বলেন। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের লক্ষ্য ২০৩১ সালের মধ্যে একটি উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়া। এ জন্য উচ্চপর্যায়ের অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ কাটিয়ে ওঠা জরুরি বলেও মত দেন তাঁরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকারপ্রধান দূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। তবে আমরা কোনো দেশকে অনুসরণ করে নয়, নিজস্ব পদ্ধতিতেই এগিয়ে যাব। এটা ঠিক, আমাদের অনেক কিছুই সংস্কার করতে হবে।’ এরপরও দেশে এখন যে বিনিয়োগ পরিবেশ আছে, সেই সুযোগ গ্রহণ করে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার ফসল হিসেবে দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ছে। বিদেশি বিনিয়োগ ও অন্যান্য ব্যবসায়িক সুযোগও দিন দিন বাড়ছে। আমরা অবশ্যই সবুজ প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেব। কিন্তু এর পাশাপাশি প্লাস্টিক, ইলেকট্রনিকসসহ বিভিন্ন খাতের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়ও গুরুত্ব দিতে হবে।’ তিনি বলেন, কার্বন নিঃসরণ কমাতে প্রাকৃতিক জ্বালানির ব্যবহার কমানোর গুরুত্ব বাড়ছে। পাশাপাশি পানিশক্তির ব্যবহার বাড়ানোর দিকে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০২৬ সালের পর ইউরোপের বাজারে অগ্রাধিকার বাজার সুবিধা (জিএসপি) হারালেও জিএসপি প্লাস নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। জাপানি রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেন, জাপানের বিনিয়োগকারীরা এ দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। কিন্তু বছর বছর করহার পরিবর্তন ও ঘন ঘন নীতি পরিবর্তনের কারণে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এ জন্য নীতির ধারাবাহিকতা থাকতে হবে। বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক ব্যবসা সহজীকরণ সূচক প্রতিবেদন প্রকাশ বন্ধ রাখলেও আমরা ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নের সূচকগুলো নিয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে কাজ করে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে ব্যবসা শুরুর সময় কমে এসেছে।’ তিনি জানান, প্রতিদিন শতাধিক সেবাগ্রহীতা সুফল পাচ্ছেন। নিহাদ কবির বলেন, ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে নীতি সংস্কার করতে হবে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ব্যবসার চুক্তি আইন বহু পুরোনো, তা ছাড়া ছোট ছোট অনেক নীতি আছে, যেগুলোর জন্য ভোগান্তি তৈরি হয়।

সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, ‘আমাদের অনেক পণ্য রয়েছে। কিন্তু এর যথাযথ প্রচার নেই। এ জন্য নিজেদের ব্র্যান্ড ভাবমূর্তি তৈরি করতে হবে।’

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন