বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আলু উৎপাদনে এবার প্রতি কেজিতে কৃষকের খরচ হয়েছে ১৮ টাকা। কিন্তু হিমাগার পর্যায়ে আলু বিক্রি হচ্ছে ৮-৯ টাকায়। অধিক পরিমাণে উৎপাদন ও দাম কম হওয়ার কারণে কৃষকেরা হিমাগার থেকে আলু ছাড় করছেন না। এভাবে চলতে থাকলে দুই মাস পর আলু নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রসঙ্গত, হিমাগারে আলুর কেজি ৮-৯ টাকা হলেও খোলাবাজারে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিদ্যমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রতি কেজি আলুতে ৯ টাকা সরকারি ভর্তুকি দেওয়ার দাবি জানান বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। পাশাপাশি হিমাগারের ঋণ এক বছরের জন্য ব্লক করে ৪ শতাংশ সুদে ২০ বছরের জন্য পুনঃ তফসিল করা এবং আলু রপ্তানিতে নগদ সহায়তা ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার দাবি জানান তাঁরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোশারফ হোসেন। এ সময় ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী, বগুড়ার হিমাগার মালিক সমিতির চেয়ারম্যান হোসনে আরা বেগমসহ বিভিন্ন হিমাগারের মালিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন