বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, অটোমোবাইলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শিল্প মন্ত্রণালয় ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ অটোমোবাইল সেক্টর রোডম্যাপ এবং অটোমোবাইল-ম্যানুফ্যাকচারিং ডেভেলপমেন্ট পলিসির খসড়া তৈরি করেছে, যেটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত করা জরুরি। পাশাপাশি গাড়ি নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ তৈরিতে যৌথ বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়া জরুরি। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অটোমোবাইল খাতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে পাঁচ বছরের কর অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করেন ডিসিসিআই সভাপতি। ৫ থেকে ১০ বছর মেয়াদি সহায়ক শুল্ক নীতিমালা গ্রহণেরও দাবি জানান। এ ছাড়া এখানের গবেষণা কার্যক্রমকে উৎসাহিত ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় অটোমোবাইল কাউন্সিল’ এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে ‘জাতীয় অটোমোবাইল স্কিল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল’ স্থাপনের প্রস্তাব করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, অটোমোবাইল খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে একটি সহায়ক নীতিমালার খসড়া তৈরির কাজ করছে শিল্প মন্ত্রণালয়, যেটি শিগগিরই চূড়ান্ত হবে। তিনি বলেন, সরকার সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে। সেসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে এ খাতের যন্ত্রাংশ উৎপাদনে শিল্পকারখানা স্থাপনে এগিয়ে আসতে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান শিল্পমন্ত্রী। অটোমোবাইল খাতের সার্বিক উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রম অপরিহার্য বলেও মন্তব্য করেন শিল্পমন্ত্রী।

জাপানের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মিতসুবিশি বাংলাদেশে ‘সিকেডি প্ল্যান্ট’ স্থাপনের আগ্রহ দেখিয়েছে। এ–বিষয়ক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলমান।
বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নায়োকি

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নায়োকি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশের শিল্পায়নে অটোমোবাইল খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে জাপানে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে অটোমোবাইলশিল্প উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের সেই উদাহরণ অনুসরণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এ জন্য একটি সমন্বিত নীতিমালা অপরিহার্য বলে তিনি মত দেন। সেই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি খাতকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের অটোমোবাইল খাতের বিকাশকে ত্বরান্বিত করতে হালকা প্রকৌশলশিল্পকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, জাপানের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মিতসুবিশি বাংলাদেশে ‘সিকেডি প্ল্যান্ট’ স্থাপনের আগ্রহ দেখিয়েছে। এ–বিষয়ক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলমান। তিনি অটোমোবাইল খাতের উন্নয়নে স্থানীয় হালকা প্রকৌশলশিল্পের বিকাশ একান্ত অপরিহার্য বলে মত প্রকাশ করেন।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন