বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাসের কারণে দোকান ও মার্কেট বন্ধ থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান অনলাইনে পণ্য বিক্রি বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে ভোক্তারাও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে অনলাইন কেনাকাটা শুরু করেন। এই সুযোগে বহু বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান বড় ছাড় দিয়ে পণ্য বিক্রির ঘোষণা দেয়। তবে এদের অনেকেই টাকা নেওয়ার পরও ভোক্তাদের পণ্য দিতে বিলম্ব করে। আবার কেউ কেউ গ্রাহকের টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ধরনের প্রতারণার ঘটনায় গ্রাহকেরা অনলাইনে কেনাকাটায় অনেকটা বিমুখ হয়ে পড়েছেন। সব মিলিয়ে পুরো ই–কমার্স খাতে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রাহকের টাকার সুরক্ষায় ইতিমধ্যে স্ক্রু সেবা চালু হলেও খাতটি এখনো আস্থাহীনতায় ভুগছে।

গত ২৫ এপ্রিল থেকে আবার দোকানপাট ও মার্কেটগুলো খোলার কারণেও অনলাইনে কেনাকাটা কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিল মাসে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ৭ লাখের বেশি লেনদেন হয়েছিল, টাকার অঙ্কে যা ৩৯৮ কোটি টাকা। মে মাসে প্রায় কাছাকাছি লেনদেনে ৪৮৩ কোটি টাকা খরচ করেন গ্রাহকেরা। আর জুন মাসে লেনদেন আরও বেড়ে ৫২১ কোটি টাকায় ওঠে। কিন্তু জুলাইয়ে কেনাকাটা ৩৩৮ কোটি টাকায় নামে।

ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে গত এপ্রিলে ৪৪০ কোটি টাকা, মে মাসে ৬০৮ কোটি টাকা ও জুনে ৬৫৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়। তবে জুলাইয়ে লেনদেন অর্ধেক কমে হয় ৩০৮ কোটি টাকা।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে লেনদেন আরও অনেক কমেছে। এদিকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মার্চেন্ট পেমেন্ট এখন বেশি হচ্ছে।

নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত মাস (আগস্ট) পর্যন্ত ই-কমার্স বা অনলাইনভিত্তিক লেনদেন অর্ধেক কমেছে। আমরা আশা করছি, ই–কমার্সগুলোর সেবার মান বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেনদেনও বাড়বে।’

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন