বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চাল ব্যবসায়ী সমিতির নেতা ও আড়তমালিকেরা বলছেন, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টিপাতের কারণে মাঠে অনেকের ধান ভিজে গেছে। এতে কিছু ধান নষ্ট হয়েছে। কিছু জায়গায় পানির কারণে ধান কাটা পিছিয়ে গেছে। মূলত এ দুটি কারণেই স্থানীয় মিলমালিকেরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।

মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেট চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাড়ার পর সেটা আবার কমে গিয়েছিল। এখন আবার মিলমালিকেরা চাল কেজিতে মানভেদে ২-৩ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন। খুচরায় কেজিতে চালের দাম অন্তত ৩ টাকা বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, পাইকারিতে মোটা চালের ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি হতো ১ হাজার ৯৫০ টাকায়। এখন একই বস্তার দাম হয়েছে ২ হাজার ১০০ টাকা।

গতকাল ধানমন্ডির রায়ের বাজার ও কারওয়ান বাজারে খুচরায় প্রতি কেজি মোটা চাল ৪৫ টাকা, বিআর-২৮ চাল ৫১ টাকা, মিনিকেট ৬৪ টাকা ও নাজিরশাইল চাল ৬৯ টাকায় বিক্রি করা হয়।

রায়ের বাজারের চাল বিক্রেতা ইউনুস আলী প্রথম আলোকে বলেন, প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) চালের দাম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেড়েছে। মানভেদে বিআর-২৮ চালের কেজি এখন ৫০ থেকে ৫২ টাকা।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, এক মাসের ব্যবধানে সরু চালের (নাজিরশাইল ও মিনিকেট) দাম দেড় শতাংশের বেশি বেড়েছে। মাঝারি চালের (বিআর-২৮ ও পাইজাম) দাম বেড়েছে প্রায় ৩ শতাংশ। ৩ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়েছে মোটা চালের দাম।

সংস্থাটির প্রতিদিনের বাজারদরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাজারে এখন প্রতি কেজি মোটা চাল সর্বোচ্চ ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৪৮ টাকা।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন