এমন সময়ে সদরঘাট লাইটার জেটি চালু হয়েছে, যখন বন্দরের মূল জেটিতে মেরামতকাজের জন্য এক মাস পুরোনো লোহার টুকরাবাহী জাহাজ না ভেড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন্দর। এখন লাইটার জেটি চালু হওয়ায় পণ্য খালাসের বিকল্প সুযোগ তৈরি হলো।

কর্ণফুলী নদীতে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের আওতায় ২০১৩ সালে সদরঘাটে মোট চারটি লাইটার জেটি নির্মাণ করেছিল বন্দর। সে সময় প্রকল্পের ঠিকাদার কাজ শেষ করতে না পারায় বন্দর চুক্তি বাতিল করে। পরে ২০১৮ সালে আবার খননকাজ শুরু হয়। বন্দরও চারটি জেটি দরপত্রের মাধ্যমে চারটি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেয়। পরে জেটির সামনে জাহাজ ভেড়ানোর উপযোগী খননকাজ করে বন্দর।

জেটি চালু উপলক্ষে গতকাল আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেএসআরএম গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সারওয়ার জাহান বলেন, এই জেটি দিয়ে কেএসআরএম গ্রুপের আমদানি করা কাঁচামাল খালাস হবে। প্রয়োজনে ভাড়ার মাধ্যমে অন্য প্রতিষ্ঠানের মালামালও খালাস করা হবে।

কেএসআরএম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুল করিম বলেন, সদরঘাট ৪ নম্বর জেটি পুরোপুরি পরিচালিত হবে কেএসআরএমের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়। এ জেটি চালুর মাধ্যমে কেএসআরএম ব্যবসায়িকভাবে আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার এম আরিফুর রহমান বলেন, লাইটার জেটি চালুর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের গতিশীলতা যেমন বাড়বে, তেমনি সম্প্রসারিত হবে ব্যবসা-বাণিজ্যের।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্প গ্রুপটির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক করিম উদ্দিন, পরিচালক (প্ল্যান্ট) কমোডর (অব.) শামসুল কবির প্রমুখ।