বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনলাইন ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানগুলো ইচ্ছেমতো ব্যবসা চালাচ্ছে—এই অভিযোগ জানিয়ে রেস্তোরাঁমালিকদের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি দেওয়া হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই ব্যবসায় অংশীদারদের কাছে প্রস্তাব আহ্বান করে।

সভায় রেস্তোরাঁমালিকেরা জানান, বিদ্যমান ই-কমার্স নীতিমালায় খাবার ডেলিভারি ব্যবসা বিষয়ে নির্দেশনা না থাকায় তাঁরা ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নিচ্ছেন, যা রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের জন্য ক্ষতিকর। এ ছাড়া ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে দুই থেকে তিন মাসের বিল বকেয়া থাকছে। সম্প্রতি খাবারের অর্ডার বাতিল হলে তার জরিমানাও রেস্তোরাঁর কাছ থেকে কাটা হচ্ছে।

গত বছর করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলে সামাজিক যোগাযোগ সীমিত করতে প্রথম তিন মাস বন্ধ রাখা হয়েছিল হোটেল–রেস্তোরাঁ। এরপর বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল হলে বাড়ি নিয়ে খাওয়ার শর্তে চালু করা হয় হোটেল–রেস্তোরাঁ। এ সময় জমে ওঠে অনলাইনে খাবার সরবরাহ সেবার ব্যবসা। দফায় দফায় বিধিনিষেধের কারণে অনলাইনে বিক্রির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে রেস্তোরাঁ ব্যবসা। তখন থেকেই ফুড ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে আসছেন রেস্তোরাঁমালিকেরা।
সভায় বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি স্থায়ী কমিশন হার নির্ধারণ করে নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব দেন।

সভায় ফুড ডেলিভারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ফুড পান্ডার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির বিক্রয় বিভাগের প্রধান মো. সিরাজুল হক ও অর্থ বিভাগের প্রধান আওরঙ্গজেব হোসেন, পাঠাওর প্রেসিডেন্ট ফাহিম আহমেদ, হাংগ্রি নাকি ডট কমের প্রতিনিধি মো. মেসবাহ উল হক ও ই কুরিয়ারের প্রতিনিধি মজিদুল হক।
স্থায়ী কমিশন নির্ধারণের বিরোধিতা করে ফুড পান্ডার পক্ষ থেকে মো সিরাজুল হক বলেন, ফুড পান্ডা রেস্তোরাঁমালিকদের সঙ্গে চুক্তির আওতায় কমিশন নির্ধারণ করে। সে জন্য স্থায়ী কমিশন হার নির্ধারণ যৌক্তিক হবে না।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল কমার্স সেলের মহাপরিচালক হাফিজুর রহমান বলেন, করোনায় ক্রেতাদের অভ্যাস বদলে যাওয়ায় খাবার ডেলিভারি ব্যবসা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সব পক্ষের প্রস্তাবনা বিবেচনা করে নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব এসেছে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন