বিজ্ঞাপন

বিধিমালায় বলা হয়েছে, পচনশীল পণ্যের বিপরীতে বিল অব এন্ট্রি বা বিল অব এক্সপোর্ট দাখিল হলে যদি কায়িক পরীক্ষার জন্য বিবেচনা না করা হয় কিংবা শুল্ক গোয়েন্দা বা অন্য কোনো দপ্তরের কোনো আপত্তি না থাকে, তাহলে অনতিবিলম্বে তা শুল্কায়নের ব্যবস্থা করা হবে।

নতুন এই বিধিমালা নিয়ে গত এপ্রিল মাসে শুল্ক বিভাগ আমদানিকারক, বন্দর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এতে সভাপতিত্ব করেন এনবিআরের সদস্য খন্দকার আমিনুর রহমান। ওই বৈঠকে দিনে দিনে পণ্য পরীক্ষণ ও শুল্কায়ন কার্যক্রম শেষ করার সিদ্ধান্ত হয়।

এ ছাড়া পচনশীল পণ্যের চালান খালাস করতে আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক দিনরাত ২৪ ঘণ্টা বিল অব এন্ট্রি বা বিল অব এক্সপোর্ট দাখিল করতে পারবেন। আমদানিকারক বা রপ্তানিকারক চাইলে নির্ধারিত দাপ্তরিক সময়ের বাইরে চালানের পরীক্ষণ, শুল্কায়ন করে পণ্য খালাস করতে পারবেন।

এদিকে পচনশীল পণ্যের জন্য একটি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করবেন সংশ্লিষ্ট কমিশনার। নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাস না করলে কিংবা অন্য কোনো কারণে খালাস করা না হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ওই কমিটি নিলামসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন