মাস্টারকার্ডের একটি পর্যালোচনা প্রতিবেদনে অস্ট্রেলিয়ার পর্যটন খাতের ঘুরে দাঁড়ানোর এই চিত্র উঠে এসেছে। ‘রিকভারি ইনসাইটস: রেডি ফর টেকঅফ’ শীর্ষক পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী মানুষের ভ্রমণপ্রবণতা এখনো আগের অবস্থায় না ফিরলেও প্রতি পাঁচটি দেশের মধ্যে একটি দেশের অভ্যন্তরীণ গন্তব্যে আকাশপথে ভ্রমণ করোনার আগের অবস্থার প্রায় ৯০ শতাংশ উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া ১১৬ শতাংশ বুকিং নিয়ে বৈশ্বিক গড় হিসাব ছাড়িয়ে গেছে।

মাস্টারকার্ড বলছে, বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক ভ্রমণের চেয়ে অবকাশযাপনকেন্দ্রিক ভ্রমণের হার এখনো খুব কম। তবে ব্যবসায়িক ভ্রমণের উন্নতি হয়েছে। এই জায়গায় অস্ট্রেলিয়া অন্যদের চেয়ে এগিয়ে আছে। দেশটির করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ প্রাক্‌–করোনা সময়ের ৮০ শতাংশে উঠেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর ভ্রমণ ২০১৯ সালের তুলনায় গত বছর ৫০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবকাশ ও ব্যবসা, স্থানীয় ও দূরবর্তী গন্তব্যে চলাচল এবং সঞ্চয় ও ব্যয়ের মধ্যকার ভারসাম্য দিন দিন বাড়ছে। ভ্রমণে মানুষের ব্যয় বাড়ছে, যা পর্যটন খাতের পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত বহন করে।

এপি অ্যান্ড এমইএ অব দ্য মাস্টারকার্ড ইকোনমিকস ইনস্টিটিউটের প্রধান অর্থনীতিবিদ ডেভিড ম্যান বলেন, এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আন্তর্জাতিক সীমান্ত এখনো উন্মুক্ত হয়নি। তবে অভ্যন্তরীণ ভ্রমণের ক্ষেত্রে কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিত লক্ষ করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে ভ্রমণের সুযোগ উন্মুক্ত হতে শুরু করেছে। অন্যান্য দেশও ধীরে ধীরে সীমান্ত উন্মুক্ত করে ব্যবসা ও অবকাশযাপনকেন্দ্রিক ভ্রমণের পথ অনুসরণ করবে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন