বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চলতি বছর কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা মোট ১ কোটি ১৯ লাখ। সে হিসাবে এখন পর্যন্ত মাত্র ১ দশমিক ৩২ শতাংশ পশু অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। এই পরিসংখ্যান গত বছরের চেয়ে বেশি হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা খুব সন্তুষ্ট নন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (খামার) জিনাত সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতিতে আমরা আরও অনেক বেশি অনলাইন বিক্রি আশা করেছিলাম।’

অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১২ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে সবচেয়ে বেশি পশু বিক্রি হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। বিভাগটিতে ৮৭ হাজার ৩৫৭টি গরু-মহিষ এবং ১৭ হাজার ৬৬৭টি ছাগল-ভেড়া অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ঢাকা বিভাগ। ঢাকায় মোট ১৬ হাজার ৯৭৬টি গরু-মহিষ এবং ১ হাজার ৩৫৪টি ছাগল-ভেড়া বিক্রি অনলাইনে হয়েছে। অনলাইনে বিক্রির দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে ময়মনসিংহ বিভাগ। সেখানে মাত্র ৩২২টি গরু-মহিষ এবং মাত্র ২৭টি ছাগল-ভেড়া অনলাইনে বিক্রি হয়েছে।

জিনাত সুলতানা আরও বলেন, অনলাইনে আশানুরূপ বিক্রি না হওয়ার মূল কারণ ক্রেতাদের অনভ্যস্ততা। এখনো বেশির ভাগ ক্রেতা হাটে গিয়ে পশু কেনার কথা চিন্তা করেন।

সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮৪৩টি প্ল্যাটফর্ম থেকে অনলাইন হাট পরিচালিত হচ্ছে, যার মধ্যে অধিকাংশই ফেসবুকভিত্তিক। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মীদের নিজ এলাকার খামারিদের খামার ঘুরে পশুর ছবি অনলাইনে আপলোড দেওয়ার কাজে নিয়োজিত করেছে।

ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কাজী রফিকুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা উপজেলাভিত্তিক ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করেছি, যেমন ঢাকা মহানগর ছাড়াও ঢাকায় পাঁচটি উপজেলা আছে। এই ছয় এলাকার জন্য আলাদা ছয়টি ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। কর্মীরা দিনে ৫ থেকে ১০টি পশুর ছবি আপলোড করছেন।’
এখন পর্যন্ত অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মোট ১০ লাখ ৩০ হাজার ৫৯০টি পশুর ছবি আপলোড করা হয়েছে।

জিনাত সুলতানা বলেন, ‘অনলাইনে পশু বিক্রি বাড়াতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজিত ডিজিটাল পশুর হাটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ফেসবুকভিত্তিক হাটগুলো যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য কার্যক্রমের মাধ্যমে অনলাইনে পশু বিক্রি বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।’

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন